সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:৩১:৪৮ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

বিশ্বকাপের ইতিহাসে টানা ৭ ম্যাচেই গোলের রেকর্ড মেসির

বিশ্বকাপের ইতিহাসে টানা ৭ ম্যাচেই গোলের রেকর্ড মেসির

বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে জর্ডানের বিপক্ষে গোল করে তিনি এমন একটি রেকর্ড গড়েছেন, যা এর আগে বিশ্ব ফুটবলে কেউ করতে পারেননি। বিশ্বকাপে টানা সাতটি ম্যাচে গোল করা প্রথম ফুটবলার হিসেবে নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় লিখিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

 

রোববার জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন না ৩৯ বছর বয়সী মেসি। ম্যাচের ৬০তম মিনিটে লাওতারো মার্তিনেজের পরিবর্তে তাকে মাঠে নামান আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। মাঠে নামার অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের স্বভাবসুলভ দক্ষতায় এক দুর্দান্ত ফ্রি-কিক থেকে গোল করে দলকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। একই সঙ্গে গড়ে ফেলেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের একক নতুন রেকর্ড।

 

এই গোলের আগে বিশ্বকাপে টানা ছয় ম্যাচে গোল করার কীর্তিতে মেসি যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইন এবং ১৯৭০ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জেয়াজিনহো একই কীর্তি গড়েছিলেন। জর্ডানের বিপক্ষে গোলের মাধ্যমে মেসি সেই দুই কিংবদন্তিকে ছাড়িয়ে একাই সর্বোচ্চ আসনে উঠে গেলেন এবং সাত দশকের পুরোনো রেকর্ড নতুন করে লিখলেন।

 

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে দলকে আরও আক্রমণাত্মক করতে একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন আনেন কোচ স্কালোনি। গোলদাতা জিওভানি লো সেলসো ও তরুণ নিকো পাজকে তুলে নিয়ে মাঠে নামানো হয় থিয়াগো আলমাদা ও আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারকে। একই সময় লাওতারো মার্তিনেজের জায়গায় নামেন মেসি, আর সেই পরিবর্তনই ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্তে পরিণত হয়।

 

জর্ডানের বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পাওয়ার পর পুরো মেটলাইফ স্টেডিয়ামে নেমে আসে নিস্তব্ধতা। এরপর মেসির বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে জড়াতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে আর্জেন্টিনা সমর্থকরা। সেই গোল শুধু দলের জয়কেই আরও নিশ্চিত করেনি, বরং বিশ্বকাপের ইতিহাসে লিওনেল মেসির নামকে আরও একবার অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।