আমাদের পরিচয় ও সংবাদ ভাবনা
একটি ঘটনার খবর জানার পাশাপাশি সেই ঘটনা কেন গুরুত্বপূর্ণ, কার ওপর প্রভাব ফেলছে এবং কোন তথ্য এখনো নিশ্চিত নয়—পাঠকের এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া প্রয়োজন। ঢাকা প্রেসের সংবাদ ভাবনায় তাই শিরোনামের আকর্ষণের সঙ্গে তথ্যের যথার্থতা, প্রেক্ষাপট ও মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। শুধু দ্রুত প্রকাশ নয়, পাঠক যেন সংবাদটি বুঝে নিজের মত গঠন করতে পারেন, সেটিই আমাদের উদ্দেশ্য।
বাংলাদেশের পাঠক, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বাংলাভাষী সংবাদপাঠকের জন্য আমাদের বিষয়বস্তু সাজানো হয়। এই পরিচিতি কোনো সরকারি অনুমোদন, প্রচারসংখ্যা, পাঠকসংখ্যা বা স্বীকৃতির দাবি নয়। প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক, প্রকাশক ও যোগাযোগের প্রকাশিত তথ্য সম্পর্কে প্রশ্ন থাকলে যোগাযোগ পাতার মাধ্যমে জানতে পারবেন।
বাংলাদেশ ও বিশ্বের যেসব সংবাদ প্রকাশ করি
জাতীয় ঘটনা, রাজনীতি, স্থানীয় জনজীবন, আইন ও আদালত, অর্থনীতি, শিক্ষা, চাকরি, খেলাধুলা, বিনোদন, ধর্ম, জীবনযাপন এবং আন্তর্জাতিক বিষয় আমাদের সংবাদ বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। সংবাদ নির্বাচন করার সময় ঘটনার জনস্বার্থ, প্রভাব, নতুনত্ব এবং যাচাইযোগ্য তথ্যের প্রাপ্যতা বিবেচনা করা হয়। কোনো বিষয় সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত হলেই সেটিকে নির্ভরযোগ্য সংবাদ হিসেবে ধরে নেওয়া হয় না।
স্থানীয় সমস্যার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বক্তব্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠানের অবস্থান জানার চেষ্টা করা আমাদের নীতি। আন্তর্জাতিক সংবাদে মূল উৎস, ঘটনার স্থান ও সময় এবং বাংলাদেশের পাঠকের জন্য প্রয়োজনীয় প্রেক্ষাপট গুরুত্বপূর্ণ। চাকরি বা শিক্ষা-সংক্রান্ত সংবাদ পড়ার পর আবেদনকারীর মূল বিজ্ঞপ্তি, যোগ্যতা ও সময়সীমা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে যাচাই করা উচিত।
তথ্য যাচাই ও উৎস ব্যবহারের নীতি
সংবাদ তৈরির উপকরণ হতে পারে প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণ, সাক্ষাৎকার, সরকারি নথি, আদালতের প্রকাশ্য আদেশ, গবেষণা, প্রতিষ্ঠানের বিবৃতি বা সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন। প্রতিটি উপকরণের উৎস, সময়, প্রাসঙ্গিকতা এবং সম্ভাব্য স্বার্থ বিবেচনা করতে হবে। অভিযোগ বা বিতর্কিত বক্তব্যকে প্রতিষ্ঠিত সত্যের ভাষায় উপস্থাপন করা আমাদের নীতির পরিপন্থি। স্বাধীন সমর্থন পাওয়া না গেলে সেই সীমাবদ্ধতা পাঠককে জানানো প্রয়োজন।
ছবি ও ভিডিওর ক্ষেত্রে পুরোনো ঘটনা নতুন বলে চালানো, স্থান বদলে উপস্থাপন করা বা সম্পাদিত দৃশ্যকে মূল ঘটনা হিসেবে প্রকাশ করা গ্রহণযোগ্য নয়। সংখ্যাগত তথ্য, জরিপ ও গবেষণার সংবাদে নমুনা, সময়কাল ও উৎস উল্লেখের চেষ্টা করতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ক্ষেত্রেও তার দাবি সম্পাদকীয় যাচাই থেকে স্বয়ংক্রিয় ছাড় পায় না।
সম্পাদকীয় স্বাধীনতা ও স্বার্থের সংঘাত
সংবাদ প্রকাশ, শিরোনাম নির্বাচন বা অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত বিজ্ঞাপন কেনা, উপহার দেওয়া কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিনিময়ে নির্ধারিত হওয়া উচিত নয়। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক সুবিধা নিশ্চিত করা সম্পাদকীয় বিভাগের দায়িত্ব নয়। প্রতিবেদনের সঙ্গে লেখকের প্রত্যক্ষ আর্থিক, রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকলে তা সম্পাদকীয় বিবেচনায় আনতে হবে এবং প্রয়োজন হলে পাঠকের কাছেও প্রকাশ করতে হবে।
সংবাদ, বিশ্লেষণ, মতামত এবং অর্থের বিনিময়ে প্রকাশিত বিষয়বস্তুর উদ্দেশ্য আলাদা। মতামতে লেখকের মূল্যায়ন থাকতে পারে, কিন্তু তথ্যগত দাবির যথার্থতার দায়িত্ব থেকে তা মুক্ত নয়। বিজ্ঞাপন বা স্পনসরড কনটেন্টকে স্বাধীন সংবাদ হিসেবে উপস্থাপন না করা এবং প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে স্পষ্ট পরিচিতি দেওয়া আমাদের প্রকাশনা নীতি।
ভুল সংশোধন, হালনাগাদ ও জবাবের সুযোগ
কোনো সংবাদে নাম, তারিখ, সংখ্যা, ছবি, উদ্ধৃতি বা প্রেক্ষাপটের ভুল ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট লিংক ও প্রমাণসহ জানান। অভিযোগের গুরুত্ব ও তথ্যের প্রাপ্যতা অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হবে। অর্থবহ তথ্যগত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পাঠক যাতে বিষয়টি বুঝতে পারেন, সে জন্য সংশোধনী বা হালনাগাদের ব্যাখ্যা দেওয়াই আমাদের নীতি। বানান ঠিক করা এবং প্রতিবেদনের মূল বক্তব্য পাল্টে দেওয়াকে একই ধরনের সম্পাদনা হিসেবে দেখা হয় না।
কোনো প্রতিবেদনে গুরুতর অভিযোগের মুখে পড়া ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের বক্তব্য, নথি বা প্রতিবাদ পাঠাতে পারেন। বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা, সত্যতা, ভাষা ও আকার সম্পাদকীয়ভাবে বিবেচিত হবে। আপত্তি জানানো মানেই পুরো প্রতিবেদন সরিয়ে নেওয়া নয়; ভুল সংশোধন, পাল্টা বক্তব্য সংযোজন, পরিচয় আড়াল বা অন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্ধারিত হতে পারে।
শিশু, নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি ও ব্যক্তিগত মর্যাদা
অপরাধ, দুর্ঘটনা বা নির্যাতনের খবর প্রকাশের সময় জনস্বার্থের সঙ্গে ব্যক্তির নিরাপত্তা ও মর্যাদার ভারসাম্য জরুরি। শুধু নাম বাদ দিলেই পরিচয় সুরক্ষিত হয় না; ছবি, বিদ্যালয়, ঠিকানা, পরিবারের পরিচয় বা ঘটনার অতিরিক্ত বিবরণ থেকেও কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব। এ ধরনের তথ্য প্রকাশের আগে সম্ভাব্য ক্ষতি ও প্রযোজ্য আইনি বিধিনিষেধ বিবেচনা করতে হবে।
শিশু আইন, ২০১৩ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর সংশোধিত বিধান প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে পরিচয় প্রকাশে সীমা আরোপ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতিতে অপ্রয়োজনীয় সংবেদনশীল বিবরণ, অপমানজনক ভাষা এবং কেবল কৌতূহল মেটাতে ব্যক্তিগত জীবনের তথ্য প্রকাশ নিরুৎসাহিত। কারও সম্মতি থাকলেও আইনে নিষিদ্ধ প্রকাশ বৈধ হয়ে যায় না।
আদালত, নির্বাচন ও জননিরাপত্তার সংবাদ
মামলা, অভিযোগ, গ্রেপ্তার, অভিযোগপত্র এবং আদালতের রায় আলাদা পর্যায়। আদালতে দোষ প্রমাণের আগে অভিযুক্তকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত না করা এবং বিচারাধীন বিষয়ে প্রযোজ্য আদেশ মেনে চলা জরুরি। আদালতের পর্যবেক্ষণ, পক্ষের দাবি ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পার্থক্য সংবাদে পরিষ্কার রাখা আমাদের নীতি।
নির্বাচনী সংবাদে প্রচারণার দাবি, জনমত জরিপ, বেসরকারি ফল এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণাকে আলাদা করতে হবে। নির্দিষ্ট নির্বাচনে কার্যকর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা ও বিধিনিষেধ বিবেচনা করা প্রয়োজন। দুর্যোগ বা জননিরাপত্তার ঘটনায় অযাচাইকৃত মৃত্যুসংখ্যা, আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে এমন তথ্য কিংবা উদ্ধারকাজ ব্যাহত করে এমন বিবরণ প্রকাশে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
ডিজিটাল প্রকাশনা, ছবি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
সার্চ ইঞ্জিনে সহজে খুঁজে পাওয়া যায় এমন শিরোনাম লেখা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু শিরোনাম বা ছবির মাধ্যমে প্রতিবেদনের চেয়ে ভিন্ন ধারণা দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। পুরোনো সংবাদে নতুন ঘটনার বিভ্রান্তি, প্রেক্ষাপটহীন থাম্বনেইল এবং অপ্রাসঙ্গিক জনপ্রিয় শব্দ জুড়ে পাঠক টানার চেষ্টা আমাদের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সংবাদটির প্রকাশকাল ও প্রাসঙ্গিক হালনাগাদ পাঠকের বোঝার উপযোগী হওয়া প্রয়োজন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জাম ব্যবহার করা হলে সেগুলোর তৈরি বক্তব্যকে নিজে থেকেই প্রমাণিত তথ্য হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না। কল্পিত উদ্ধৃতি, সাক্ষাৎকার বা দৃশ্যকে বাস্তব ঘটনা হিসেবে প্রকাশ করা যাবে না। কোনো কৃত্রিম ছবি বা গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদনা পাঠককে বিভ্রান্ত করতে পারে এমন হলে তার প্রকৃতি স্পষ্ট করার নীতি অনুসরণ করতে হবে।
একটি সংবাদ যেভাবে তৈরি ও প্রকাশিত হয়
ঢাকা প্রেসে প্রতিটি সংবাদ কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে পাঠকের কাছে পৌঁছায়। প্রথমে ঘটনার প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়—প্রতিবেদক, জেলা প্রতিনিধি, সংবাদ সংস্থা, সরকারি বিজ্ঞপ্তি বা পাঠকের পাঠানো টিপস থেকে। এরপর তথ্যের উৎস কতটা নির্ভরযোগ্য, একাধিক স্বতন্ত্র সূত্রে তা মিলছে কি না এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া গেছে কি না, তা যাচাই করা হয়। প্রতিবেদন লেখার পর ডেস্কে ভাষা, তথ্য, শিরোনাম, ছবি ও ক্যাপশন সম্পাদনা করা হয়।
ব্রেকিং নিউজের ক্ষেত্রে প্রথমে নিশ্চিত হওয়া মৌলিক তথ্য প্রকাশ করে পরবর্তী সময়ে প্রতিবেদন হালনাগাদ করা হতে পারে। এ ধরনের চলমান সংবাদে কোন অংশ নিশ্চিত এবং কোন অংশ এখনো যাচাইয়ের অপেক্ষায়, তা পাঠকের কাছে স্পষ্ট রাখার চেষ্টা করা হয়। হতাহতের সংখ্যা, অভিযুক্তের পরিচয় বা দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে সরকারি বা নির্ভরযোগ্য সূত্রে নিশ্চিত না হয়ে চূড়ান্ত দাবি করা হয় না।
- সংগ্রহ: মাঠ পর্যায়ের প্রতিবেদন, নথি, সাক্ষাৎকার ও দাপ্তরিক বিবৃতি
- যাচাই: একাধিক সূত্র, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং ছবি-ভিডিওর উৎস পরীক্ষা
- সম্পাদনা: তথ্য, ভাষা, শিরোনাম, ক্যাপশন ও আইনি ঝুঁকির পর্যালোচনা
- প্রকাশ ও হালনাগাদ: নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদন সংশোধন বা সম্প্রসারণ
অজ্ঞাতনামা সূত্র ও সংবাদদাতার সুরক্ষা
সাধারণভাবে আমরা নাম ও পদবিসহ সূত্র উল্লেখ করতে চাই, কারণ এতে পাঠক তথ্যের ওজন নিজে বিচার করতে পারেন। তবে জীবন, জীবিকা বা নিরাপত্তার ঝুঁকি থাকলে এবং তথ্যটি জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ হলে সূত্রের পরিচয় গোপন রাখা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সম্পাদকীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির জানা থাকা, সূত্রের তথ্য জানার অবস্থান যাচাই এবং সম্ভব হলে স্বাধীন সমর্থন খোঁজা আমাদের নীতি।
অজ্ঞাতনামা সূত্রকে কারও বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ, যাচাইহীন অভিযোগ বা কেবল মতামত প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয় না। সংবাদদাতার কাছে দেওয়া গোপনীয়তার প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের আচরণবিধির আলোকে গুরুত্বের সঙ্গে রক্ষা করা হয়।
কপিরাইট, কৃতিত্ব ও অন্য মাধ্যমের সংবাদ
অন্য সংবাদমাধ্যম, সংবাদ সংস্থা বা সামাজিক মাধ্যম থেকে পাওয়া তথ্য ব্যবহার করলে মূল উৎসের কৃতিত্ব দেওয়া আমাদের নীতি। অন্যের প্রতিবেদন হুবহু বা সামান্য পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করা কপিরাইট আইন, ২০২৩ এবং সাংবাদিকতার নৈতিকতা—উভয়েরই পরিপন্থি। ছবি, ভিডিও, গ্রাফিক্স ও লেখার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি, লাইসেন্স বা ন্যায্য ব্যবহারের যুক্তিসংগত ভিত্তি বিবেচনা করা হয়।
ঢাকা প্রেসে প্রকাশিত মৌলিক প্রতিবেদন, ছবি ও ভিডিও আমাদের বা সংশ্লিষ্ট স্বত্বাধিকারীর মেধাস্বত্ব। অনুমতি ছাড়া পুনঃপ্রকাশ করা যাবে না; তবে সংক্ষিপ্ত উদ্ধৃতি ও মূল সংবাদের লিংকসহ শেয়ার করা যায়। কেউ মনে করলে যে আমাদের কোনো প্রকাশনা তাঁর কপিরাইট লঙ্ঘন করেছে, মালিকানার প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট লিংকসহ যোগাযোগ করলে বিষয়টি দ্রুত পর্যালোচনা করা হবে।
পাঠকের জন্য আমাদের সেবা
ঢাকা প্রেস মোবাইল, ট্যাবলেট ও কম্পিউটারে দ্রুত পড়ার উপযোগী করে সাজানো। হোমপেজে দিনের প্রধান সংবাদ, সর্বশেষ আপডেট ও জনপ্রিয় প্রতিবেদন পাওয়া যায়; বিভাগভিত্তিক পাতায় রাজনীতি, বাংলাদেশ, আইন-আদালত, অর্থনীতি, খেলা, বিনোদন, চাকরি, শিক্ষা, ধর্ম ও জীবনযাপনের খবর আলাদাভাবে সাজানো থাকে। সার্চ সুবিধার মাধ্যমে শিরোনাম বা বিষয় লিখে পুরোনো সংবাদ খুঁজে পাওয়া যায়।
প্রতিটি প্রতিবেদন Facebook, Messenger ও WhatsApp-এ শেয়ার করা, লিংক কপি করা এবং A4 আকারে প্রিন্ট করার সুবিধা রয়েছে। চোখের আরামের জন্য লাইট ও ডার্ক থিম বেছে নেওয়া যায়। প্রতিবন্ধী পাঠকসহ সবার জন্য সহজ নেভিগেশন, পর্যাপ্ত রঙের পার্থক্য এবং কি-বোর্ড ব্যবহারযোগ্যতা উন্নত করা আমাদের চলমান কাজ।
বাংলাদেশের গণমাধ্যম কাঠামো ও পাঠকের অংশগ্রহণ
জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা, ২০১৭ (সংশোধিত ২০২০), বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের আচরণবিধি এবং প্রযোজ্য আইন দায়িত্বশীল প্রকাশনার গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সঙ্গে তথ্যের নির্ভুলতা, অন্যের অধিকার এবং আইনসম্মত আচরণের দায়িত্বও যুক্ত। এই পাতায় প্রকাশিত অঙ্গীকারকে কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রত্যয়ন হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে না।
পাঠকের অভিজ্ঞতা আমাদের সংবাদ ও সেবা উন্নয়নে সহায়ক। সংবাদ টিপস, সংশোধনের অনুরোধ, কপিরাইট অভিযোগ বা ওয়েবসাইটের সমস্যার বিস্তারিত যোগাযোগ পাতায় জানাতে পারেন। লিংক, ঘটনার সময় এবং সহায়ক নথি দিলে বিষয়টি শনাক্ত করা সহজ হয়। নিজের বা অন্যের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলে তথ্য সংগ্রহ করবেন না এবং সাধারণ বার্তায় পাসওয়ার্ড বা আর্থিক গোপন তথ্য পাঠাবেন না।
পাঠকের প্রশ্ন ও বিস্তারিত উত্তর
ঢাকা প্রেস কী ধরনের সংবাদমাধ্যম?
ঢাকা প্রেস (dhakapress.com.bd) একটি বাংলা অনলাইন সংবাদমাধ্যম। বাংলাদেশের জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ, রাজনীতি, অর্থনীতি, আইন-আদালত, খেলা, বিনোদন, চাকরি, শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক খবর প্রকাশ করা হয়।
ঢাকা প্রেস কি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত?
সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত কোনো রাজনৈতিক দল, বিজ্ঞাপনদাতা বা স্বার্থগোষ্ঠীর নির্দেশে নেওয়া হয় না। সব পক্ষের বক্তব্য প্রকাশ এবং তথ্য ও মতামতকে আলাদা রাখা আমাদের সম্পাদকীয় নীতি।
সংবাদে ভুল থাকলে কীভাবে জানাব?
সংবাদের লিংক, ভুল অংশ এবং সঠিক তথ্যের প্রমাণসহ যোগাযোগ পাতায় লিখুন। যাচাইয়ের পর প্রয়োজনীয় সংশোধন বা হালনাগাদ করা হবে এবং অর্থবহ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পাঠককে জানানো হবে।
আমি কি ঢাকা প্রেসে সংবাদ বা লেখা পাঠাতে পারি?
হ্যাঁ। জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট সংবাদ টিপস, ছবি, ভিডিও বা মতামত লেখা পাঠাতে পারেন। প্রকাশের সিদ্ধান্ত সম্পাদকীয় যাচাই ও নীতির ভিত্তিতে নেওয়া হয়; পাঠানো সব বিষয় প্রকাশের নিশ্চয়তা নেই।
ঢাকা প্রেসের সংবাদ কি অন্য সাইটে পুনঃপ্রকাশ করা যাবে?
অনুমতি ছাড়া পূর্ণ প্রতিবেদন, ছবি বা ভিডিও পুনঃপ্রকাশ করা যাবে না। সংক্ষিপ্ত উদ্ধৃতি দিয়ে মূল সংবাদের লিংকসহ শেয়ার করা যায়। পুনঃপ্রকাশের অনুমতির জন্য যোগাযোগ করুন।
আইন ও নীতিমালার সরকারি উৎস
নিচের সরকারি নথিগুলো প্রাসঙ্গিক আইনি ও নৈতিক কাঠামো বুঝতে সহায়ক। প্রযোজ্য সংশোধনী, কার্যকর হওয়ার তারিখ এবং নির্দিষ্ট ঘটনার ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ বিবেচ্য; এই পাতাটি সরকারি অনুমোদন বা নিবন্ধনের সনদ নয়।
- জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা, ২০১৭ (সংশোধিত ২০২০) (নতুন ট্যাবে খুলবে)
- বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সাংবাদিকতার আচরণবিধি (নতুন ট্যাবে খুলবে)
- তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ (নতুন ট্যাবে খুলবে)
- শিশু আইন, ২০১৩ — সংশোধনীসহ সরকারি পাঠ (নতুন ট্যাবে খুলবে)
- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ — সংশোধনীসহ সরকারি পাঠ (নতুন ট্যাবে খুলবে)
- কপিরাইট আইন, ২০২৩ (নতুন ট্যাবে খুলবে)
