কেন ঢাকা প্রেসে বিজ্ঞাপন দেবেন
ঢাকা প্রেস প্রতিদিন বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, আইন-আদালত, শিক্ষা, চাকরি, খেলা, বিনোদন ও জীবনযাপনের সংবাদ প্রকাশ করে। দেশের ভেতরের পাঠকের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশি ও বাংলাভাষী পাঠকও আমাদের সংবাদ পড়েন। বিভাগভিত্তিক বিন্যাসের কারণে নির্দিষ্ট আগ্রহের পাঠকের কাছে প্রাসঙ্গিক বিজ্ঞাপন পৌঁছানো সহজ হয়—যেমন চাকরি বিভাগে প্রশিক্ষণ বা নিয়োগ, খেলা বিভাগে ক্রীড়াসামগ্রী, অর্থনীতি বিভাগে আর্থিক সেবা।
আমাদের সাইট মোবাইল, ট্যাবলেট ও ডেস্কটপে রেসপনসিভভাবে কাজ করে, ফলে বিজ্ঞাপন প্রতিটি ডিভাইসে উপযুক্ত আকারে প্রদর্শিত হয়। পাঠক সংখ্যা, ইমপ্রেশন বা ক্লিক সম্পর্কে যে তথ্য দেওয়া হয়, তা প্রকৃত পরিমাপের ভিত্তিতে দেওয়া হয়; কৃত্রিমভাবে ট্রাফিক বাড়ানো বা অতিরঞ্জিত পরিসংখ্যান দেখানো আমাদের নীতির পরিপন্থি।
বিজ্ঞাপনের ধরন ও প্লেসমেন্ট
বিজ্ঞাপনদাতার লক্ষ্য, বাজেট ও সময়সীমা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন সমাধান দেওয়া হয়। প্লেসমেন্টের প্রাপ্যতা, সময়কাল ও মূল্য ক্যাম্পেইনভেদে আলাদা হয় এবং লিখিত প্রস্তাবে নির্ধারিত হয়।
- ডিসপ্লে ব্যানার: হোমপেজ, বিভাগ পাতা ও সংবাদ পাতায় ডেস্কটপ ও মোবাইল উপযোগী ব্যানার
- স্পনসরড কনটেন্ট: ‘স্পনসরড’ বা ‘বিজ্ঞাপন’ চিহ্নসহ প্রতিষ্ঠানের তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন
- বিভাগভিত্তিক স্পনসরশিপ: নির্দিষ্ট বিভাগ বা বিশেষ আয়োজনের সঙ্গে ব্র্যান্ড উপস্থিতি
- নিয়োগ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি: চাকরির বিজ্ঞাপন, দরপত্র, ভর্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক ঘোষণা
- ক্যাম্পেইন প্যাকেজ: ব্যানার, স্পনসরড কনটেন্ট ও সামাজিক মাধ্যমে শেয়ারের সমন্বিত পরিকল্পনা
সংবাদ ও বিজ্ঞাপনের স্পষ্ট পার্থক্য
বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সাংবাদিকতার আচরণবিধি এবং জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালার মূল চেতনা হলো পাঠক যেন সংবাদ ও বিজ্ঞাপনকে আলাদা করে চিনতে পারেন। তাই অর্থের বিনিময়ে প্রকাশিত যেকোনো বিষয়বস্তু ‘বিজ্ঞাপন’, ‘স্পনসরড’ বা ‘প্রমোশনাল’ হিসেবে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত থাকবে। বিজ্ঞাপনকে সংবাদ প্রতিবেদনের মতো সাজিয়ে পাঠককে বিভ্রান্ত করা হবে না।
বিজ্ঞাপন কেনা কোনো প্রতিষ্ঠানকে সংবাদ প্রকাশ, সংবাদ বন্ধ রাখা, ইতিবাচক কভারেজ বা নেতিবাচক সংবাদ সরিয়ে নেওয়ার অধিকার দেয় না। বিজ্ঞাপন বিভাগ ও সম্পাদকীয় বিভাগের সিদ্ধান্ত আলাদাভাবে নেওয়া হয়। কোনো বিজ্ঞাপনদাতা সম্পর্কে সংবাদমূল্য থাকলে অন্য যেকোনো প্রতিষ্ঠানের মতোই একই সম্পাদকীয় মানদণ্ডে তা প্রকাশিত হবে।
বাংলাদেশের আইনে নিষিদ্ধ বা গ্রহণযোগ্য নয় এমন বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশের বিভিন্ন আইনে নির্দিষ্ট পণ্য ও সেবার বিজ্ঞাপনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনের ২০২৬ সালের সংশোধনীর পর ইন্টারনেট ও সামাজিক মাধ্যমসহ সব মাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্যের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বিজ্ঞাপন, প্রচার ও পৃষ্ঠপোষকতা নিষিদ্ধ। মাতৃদুগ্ধ বিকল্প, শিশু খাদ্য ও সরঞ্জামাদি (বিপণন নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী মাতৃদুগ্ধ বিকল্প ও শিশু খাদ্যের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা যায় না।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ক্রেতাকে প্রতারিত করাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে। সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো এবং সম্মতিহীন অন্তরঙ্গ বিষয়বস্তু প্রকাশকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এসব আইনের আলোকে এবং আমাদের সম্পাদকীয় মানদণ্ড অনুযায়ী নিচের বিজ্ঞাপন গ্রহণ করা হয় না।
- সিগারেট, বিড়ি, ই-সিগারেট, জর্দা, গুলসহ যেকোনো তামাকজাত দ্রব্য বা তার ব্র্যান্ড প্রচার
- মাতৃদুগ্ধ বিকল্প, শিশু খাদ্য ও বোতল-নিপলের মতো সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম
- জুয়া, অনলাইন বেটিং, ক্যাসিনো ও লটারির নামে প্রতারণামূলক স্কিম
- অনুমোদনহীন বিনিয়োগ, দ্রুত দ্বিগুণ লাভের প্রতিশ্রুতি, অবৈধ এমএলএম বা পঞ্জি স্কিম
- অলৌকিক চিকিৎসা, ‘শতভাগ নিরাময়’ দাবি, যৌনশক্তিবর্ধক বা অনুমোদনহীন ওষুধ
- নকল, চোরাই বা মেধাস্বত্ব লঙ্ঘনকারী পণ্য
- ধর্মীয়, জাতিগত, লিঙ্গভিত্তিক বা সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক বার্তা
- অশ্লীল, যৌন উত্তেজক বা শিশুদের জন্য ক্ষতিকর বিষয়বস্তু
- ভুয়া চাকরি, বিদেশে চাকরির নামে প্রতারণা বা আগাম টাকা দাবি করা নিয়োগ বিজ্ঞাপন
শর্তসাপেক্ষ বিজ্ঞাপন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
কিছু খাতের বিজ্ঞাপন প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, লাইসেন্স বা নিবন্ধনের প্রমাণ চাওয়া হয়। ঔষধ ও কসমেটিকস্ আইন, ২০২৩ ওষুধ ও প্রসাধনী উৎপাদন, বিক্রয় ও প্রচারের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে; তাই ওষুধ, চিকিৎসা সেবা বা প্রসাধনীর বিজ্ঞাপনে প্রযোজ্য অনুমোদন ও দাবির সমর্থনে প্রমাণ প্রয়োজন। অন্যান্য নিয়ন্ত্রিত খাতের ক্ষেত্রেও একইভাবে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন দেখাতে হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দিলে বা দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ না থাকলে বিজ্ঞাপন প্রকাশ স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে। কাগজপত্রের সত্যতা ও হালনাগাদ থাকার দায়িত্ব বিজ্ঞাপনদাতার।
- ওষুধ, হাসপাতাল, ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যসেবা: সংশ্লিষ্ট লাইসেন্স ও ঔষধ প্রশাসনের প্রযোজ্য অনুমোদন
- ব্যাংক, বিমা, ঋণ ও বিনিয়োগ: বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএসইসি বা আইডিআরএর নিবন্ধন/লাইসেন্স
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ভর্তি: সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের প্রমাণ
- আবাসন ও জমি: প্রকল্পের অনুমোদন ও বৈধ মালিকানার কাগজপত্র
- বিদেশে কর্মসংস্থান ও রিক্রুটিং এজেন্সি: সরকারি লাইসেন্স নম্বর বিজ্ঞাপনে উল্লেখ
- ই-কমার্স: প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স, যোগাযোগের ঠিকানা ও পণ্য ফেরতের নীতি
রাজনৈতিক ও নির্বাচনী বিজ্ঞাপন
রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা সংগঠনের বিজ্ঞাপন গ্রহণ করা হলে তা স্পষ্টভাবে ‘রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন’ হিসেবে চিহ্নিত থাকবে এবং কে অর্থ পরিশোধ করেছে তা উল্লেখ করা হবে। নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি ও প্রচারণা-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে এবং নির্ধারিত সময়ের বাইরে প্রচারণামূলক বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে না।
প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মানহানিকর, মিথ্যা বা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, ধর্মীয় অনুভূতিকে উসকে দেওয়া বার্তা এবং সহিংসতায় উসকানি দেয় এমন বিজ্ঞাপন গ্রহণ করা হবে না। রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন প্রকাশ মানে ঢাকা প্রেস সেই দল বা প্রার্থীকে সমর্থন করছে—এমন নয়।
ক্রিয়েটিভ জমা ও প্রযুক্তিগত নির্দেশনা
বিজ্ঞাপনের ছবি, লেখা ও লিংক প্রকাশের নির্ধারিত সময়ের অন্তত দুই কর্মদিবস আগে জমা দিলে পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধনের সময় পাওয়া যায়। বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত লোগো, ছবি, সংগীত বা অন্য উপাদানের বৈধ ব্যবহারের অধিকার বিজ্ঞাপনদাতার থাকতে হবে।
- ছবি: JPG, PNG বা WebP; অ্যানিমেশনের জন্য GIF বা HTML5 (আগে থেকে আলোচনা করে)
- মোবাইল ও ডেস্কটপের জন্য আলাদা আকারের ব্যানার দিলে প্রদর্শন ভালো হয়
- ফাইলের আকার ছোট রাখুন, যাতে পাতা ধীর না হয় এবং পাঠকের ডেটা খরচ কম হয়
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে শব্দসহ চালু হওয়া ভিডিও, পপ-আপ বা পাঠকের কাজে বাধা দেয় এমন ফরম্যাট গ্রহণযোগ্য নয়
- ল্যান্ডিং পেজের লিংক সচল, নিরাপদ (HTTPS) এবং বিজ্ঞাপনের বার্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে
বুকিং, মূল্য পরিশোধ ও কর
বিজ্ঞাপনের মূল্য প্লেসমেন্ট, সময়কাল, ফরম্যাট ও ক্যাম্পেইনের আকার অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। আলোচনার পর লিখিত প্রস্তাব বা রেট কার্ড দেওয়া হয় এবং বিজ্ঞাপনদাতার সম্মতির পর বুকিং নিশ্চিত হয়। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও উৎসে কর বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী হিসাব করা হবে এবং চালান প্রদান করা হবে।
বিজ্ঞাপন প্রকাশ শুরুর আগে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাতিল করলে বাতিলের শর্ত প্রস্তাবে উল্লেখ থাকে। প্রযুক্তিগত সমস্যায় কোনো বিজ্ঞাপন নির্ধারিত সময় প্রদর্শিত না হলে সমপরিমাণ সময় অতিরিক্ত প্রদর্শন বা আনুপাতিক সমন্বয়ের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
বিজ্ঞাপন গ্রহণ, পরিবর্তন ও প্রত্যাখ্যানের অধিকার
যেকোনো বিজ্ঞাপন আইন, এই নীতিমালা বা পাঠকের স্বার্থের পরিপন্থি মনে হলে তা প্রত্যাখ্যান, পরিবর্তনের অনুরোধ বা প্রকাশের পরও সরিয়ে নেওয়ার অধিকার ঢাকা প্রেস সংরক্ষণ করে। প্রকাশিত বিজ্ঞাপন নিয়ে পাঠক, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা তৃতীয় পক্ষের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত চলাকালে বিজ্ঞাপন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হতে পারে।
বিজ্ঞাপনের বিষয়বস্তু, দাবি, অফার, মূল্য ও প্রতিশ্রুতির সত্যতার আইনগত দায় বিজ্ঞাপনদাতার। বিজ্ঞাপন প্রকাশের ফলে কোনো আইনি দাবি উঠলে বিজ্ঞাপনদাতা প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহযোগিতা দিতে বাধ্য থাকবেন। বিজ্ঞাপন প্রকাশ মানে ঢাকা প্রেস সংশ্লিষ্ট পণ্য বা সেবার মান নিশ্চিত করছে বা সুপারিশ করছে—এমন নয়।
বিজ্ঞাপন নিয়ে পাঠকের অভিযোগ
কোনো বিজ্ঞাপন বিভ্রান্তিকর, প্রতারণামূলক, আপত্তিকর বা আইনবিরোধী মনে হলে বিজ্ঞাপনের স্ক্রিনশট, যে পাতায় দেখেছেন তার লিংক এবং সময় উল্লেখ করে যোগাযোগ পাতায় জানান। অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো পণ্য বা সেবা কিনে প্রতারিত হলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরেও অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে।
পাঠকের প্রশ্ন ও বিস্তারিত উত্তর
ঢাকা প্রেসে বিজ্ঞাপন দিতে কীভাবে যোগাযোগ করব?
এই পাতার বিজ্ঞাপন বিভাগের ইমেইল বা ফোনে যোগাযোগ করুন। প্রতিষ্ঠানের নাম, বিজ্ঞাপনের ধরন, সময়সীমা, লক্ষ্য পাঠক ও আনুমানিক বাজেট জানালে দ্রুত প্রস্তাব দেওয়া যায়।
বিজ্ঞাপনের মূল্য কত?
মূল্য নির্ভর করে প্লেসমেন্ট, সময়কাল, ফরম্যাট ও ক্যাম্পেইনের আকারের ওপর। আপনার প্রয়োজন জানালে লিখিত প্রস্তাব বা রেট কার্ড পাঠানো হবে।
স্পনসরড কনটেন্ট কি সংবাদ হিসেবে প্রকাশিত হয়?
না। স্পনসরড কনটেন্ট সবসময় ‘স্পনসরড’ বা ‘বিজ্ঞাপন’ হিসেবে চিহ্নিত থাকে, যাতে পাঠক তা স্বাধীন সংবাদ থেকে আলাদা করতে পারেন।
কোন ধরনের বিজ্ঞাপন গ্রহণ করা হয় না?
তামাকজাত দ্রব্য, মাতৃদুগ্ধ বিকল্প ও শিশু খাদ্য, জুয়া-বেটিং, অনুমোদনহীন বিনিয়োগ বা এমএলএম, অলৌকিক চিকিৎসার দাবি, নকল পণ্য, বিদ্বেষমূলক ও অশ্লীল বিষয়বস্তু এবং ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞাপন গ্রহণ করা হয় না।
চাকরির বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে কি?
হ্যাঁ। প্রতিষ্ঠানের বৈধ পরিচয় ও যোগাযোগের তথ্যসহ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা যায়। আবেদনকারীর কাছ থেকে আগাম টাকা দাবি করা বিজ্ঞাপন গ্রহণ করা হয় না; বিদেশে নিয়োগের ক্ষেত্রে রিক্রুটিং লাইসেন্স নম্বর দিতে হবে।
বিজ্ঞাপন দিলে কি আমার প্রতিষ্ঠান নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হবে?
না। বিজ্ঞাপন ও সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ আলাদা। বিজ্ঞাপন কেনার মাধ্যমে কোনো সংবাদ প্রকাশ, বন্ধ রাখা বা পরিবর্তনের নিশ্চয়তা দেওয়া হয় না।
আইন ও নীতিমালার সরকারি উৎস
নিচের সরকারি নথিগুলো প্রাসঙ্গিক আইনি ও নৈতিক কাঠামো বুঝতে সহায়ক। প্রযোজ্য সংশোধনী, কার্যকর হওয়ার তারিখ এবং নির্দিষ্ট ঘটনার ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ বিবেচ্য; এই পাতাটি সরকারি অনুমোদন বা নিবন্ধনের সনদ নয়।
- জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা, ২০১৭ (সংশোধিত ২০২০) (নতুন ট্যাবে খুলবে)
- বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সাংবাদিকতার আচরণবিধি (নতুন ট্যাবে খুলবে)
- ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ (নতুন ট্যাবে খুলবে)
- ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ — সংশোধনীসহ (নতুন ট্যাবে খুলবে)
- ঔষধ ও কসমেটিকস্ আইন, ২০২৩ (নতুন ট্যাবে খুলবে)
- মাতৃদুগ্ধ বিকল্প, শিশু খাদ্য ও সরঞ্জামাদি (বিপণন নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (নতুন ট্যাবে খুলবে)
- সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ (নতুন ট্যাবে খুলবে)
- কপিরাইট আইন, ২০২৩ (নতুন ট্যাবে খুলবে)
