বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১২:২৩:২৩ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির বিশেষ বিধান আইন বাতিল, গেজেট প্রকাশিত

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির বিশেষ বিধান আইন বাতিল, গেজেট প্রকাশিত

ঢাকা প্রেস নিউজ
 

সরকার ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০’ বাতিল করে গেজেট প্রকাশ করেছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) এ গেজেট জারি করা হয়। এতে সই করেছেন লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরী।
 

গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, এই অধ্যাদেশের নাম হবে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৪’। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
 

আইনটি বাতিলের পরও, এর অধীনে সম্পাদিত চুক্তি এবং সেগুলোর অধীন গৃহীত কার্যক্রম বৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে, চলমান কার্যক্রম এমনভাবে সম্পন্ন করতে হবে যেন আইনটি এখনো বলবৎ রয়েছে। এ ছাড়া, সরকার জনস্বার্থে গৃহীত কার্যক্রমগুলো পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করবে।
 

এর আগে, গত ২০ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদ এই অধ্যাদেশ জারির প্রস্তাবে নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মতে, ২০১০ সালের আইনটির ধারা-৬ এর অধীনে বিদ্যুৎ উৎপাদন চুক্তি নিয়ে দেশে ও বিদেশে ব্যাপক দুর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে।
 

এ প্রেক্ষিতে, গত ১৪ নভেম্বর হাইকোর্ট ২০১০ সালের আইনের ধারা ৬(২) এবং ধারা ৯কে অবৈধ ঘোষণা করে। এসব কারণেই আইনটি বাতিল করা হয়েছে। তবে, সরকার পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে।


২০১০ সালে প্রণীত এ আইনটির অধীনে বিভিন্ন চুক্তি ও কার্যক্রম নিয়ে অর্থ লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে। ফলে, সরকার পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আইনটি প্রথমে স্থগিত করে এবং এখন তা পুরোপুরি বাতিল করেছে।