সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:৪৭:৫৭ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

প্রতারণার অভিযোগে আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

প্রতারণার অভিযোগে আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

ঢাকা প্রেস প্রতিবেদক

 

নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে একাধিক রিট দায়ের এবং আদালতের কাছে তথ্য গোপনের অভিযোগে রিটকারী মো. নুর আলম ও তার আইনজীবী সুফিয়া আহমেদকে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আপিল বিভাগ।
 

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
 

আদালতে রিটকারী নুর আলমের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অনীক আর হক, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও আইনজীবী অমিত দাশগুপ্ত।
 

শুনানিতে একই বিষয়ে একাধিক রিট দায়েরের পাশাপাশি পূর্ববর্তী মামলাসংক্রান্ত তথ্য আদালতের কাছে গোপন করার বিষয়টি উঠে আসে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রিটকারী ও তার আইনজীবীর বিরুদ্ধে জরিমানার আদেশ দেন আপিল বিভাগ।
 

আদেশ অনুযায়ী, নুর আলম ও সুফিয়া আহমেদকে পৃথকভাবে ৫ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে জরিমানার অর্থ ঢাকা শিশু হাসপাতালে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
 

মামলার সূত্রে জানা যায়, যাত্রাবাড়ী থানার ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একাধিক রিট দায়ের করেন মোহাম্মদ নুর আলম। এসব রিট দায়েরের সময় আগের মামলার তথ্য গোপন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
 

শুনানিতে আদালতের সঙ্গে তথ্য গোপন ও একই বিষয়ে একাধিক মামলা দায়েরের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই রিটকারী ও তার আইনজীবীকে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেন আপিল বিভাগ।