বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৭:৫৭:১১ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •

দুদকের মামলায় সাবেক কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদের ৭ বছরের কারাদণ্ড

দুদকের মামলায় সাবেক কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদের ৭ বছরের কারাদণ্ড

আদালত প্রতিবেদক

 

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও পলাতক আসামি একেএম মমিনুল হক সাঈদকে পৃথক দুই ধারায় মোট সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫ কোটি ৬০ লাখ ৩৩ হাজার ২২৪ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর অবরুদ্ধ থাকা ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
 

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক হামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
 

দুদকের প্রসিকিউটর এস এম আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের জানান, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে মমিনুল হক সাঈদকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং অপরাধমূলক অসদাচরণের দায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে দুই ধারার সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে। ফলে তাঁকে মোট পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হবে।
 

আসামি পলাতক থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেছেন আদালত।
 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৪ কোটি ৪৭ লাখ ৬৬ হাজার ২৬১ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২০ নভেম্বর মমিনুল হক সাঈদের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
 

মামলায় অভিযোগ করা হয়, সাবেক এই কাউন্সিলর ক্ষমতার অপব্যবহার করে ক্যাসিনো ব্যবসাসহ বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেন।
 

মামলার তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১৭ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তা আতাউর রহমান সরকার আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।