বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:২৪:০৭ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •

স্বামীকে হত্যা, স্ত্রী ও প্রেমিকসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

স্বামীকে হত্যা, স্ত্রী ও প্রেমিকসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

ঢাকা প্রেস,সিলেট জেলা প্রতিনিধি:-

 

সিলেটের জাফলংয়ে স্বামীকে হত্যা করার অভিযোগে তার স্ত্রী, প্রেমিকসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।
 

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের চতুর্থ আদালতের বিচারক শায়লা শারমিন এই রায় ঘোষণা করেন।
 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— কিশোরগঞ্জের নিকলীর ছেত্র গুরুই গ্রামের আব্দুস সাত্তারের মেয়ে ও নিহতের স্ত্রী খুশনাহার (২২), তার প্রেমিক গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের দড়িতাজপুর গ্রামের সোলাইমান মণ্ডলের ছেলে মাহমুদুল হাসান (২২), এবং সহযোগী নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাজিরটেক দাউদপুর গ্রামের জিন্নাত আলীর ছেলে নাদিম আহমদ (১৯), যাকে নাইম নামেও পরিচিত।
 

মামলার বিবরণী অনুযায়ী, কিশোরগঞ্জের নিকলীর ছেত্রা গুরাই হিলচিয়া গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে আলে ইমরান (৩২) ঢাকায় একটি জুতার কারখানায় কাজ করতেন। ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল তিনি স্ত্রীকে নিয়ে সিলেটের জাফলংয়ে বেড়াতে আসেন। ১৭ এপ্রিল বিকেলে তার মরদেহ সিলেটের গোয়াইনঘাট থানাধীন জাফলং বল্লাঘাট রিভারভিউ রিসোর্টের পেছনে পাথরচাপা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
 

এ ঘটনার পর নিহতের বাবা আব্দুল জব্বার গোয়াইনঘাট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তের পর, ১৯ এপ্রিল রাতে পুলিশ খুশনাহার ও নাদিম আহমেদ নাঈমকে গ্রেপ্তার করে। তাদের জবানবন্দি অনুযায়ী, তারা ঘুমের ওষুধ খাইয়ে আলে ইমরানকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে এবং মরদেহ পাথর চাপা দিয়ে রাখে। পরে পুলিশ মাহমুদুল হাসানকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
 

মামলার তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৩১ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২৩ নভেম্বর থেকে বিচার কার্যক্রম শুরু হলে, দীর্ঘ শুনানি শেষে ২৮ সাক্ষীর মধ্যে ২৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় এবং আদালত রায় ঘোষণা করেন।
 

রায়ে, খুশনাহার ও মাহমুদুল হাসানকে পেনাল কোডের ২০১ ধারায় আরও ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। আসামি নাদিম আহমদ নাঈমকে খালাস দেওয়া হয়।
 

অতিরিক্ত পিপি আইনজীবী মো. জালাল উদ্দীন জানান, রায় ঘোষণাকালে আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আরেক আসামি আব্দুর রকিব নাবালক হওয়ায় তার বিচার শিশুবিচার আদালতে হচ্ছে।