বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:২৬:১৮ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •

স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

ঢাকা প্রেস,নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ-

 

নেত্রকোণায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী রাসেল মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অপর আসামি হিমেল মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, অপর এক নারীকে ১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত।
 

বুধবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৯ সালে নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলার চরসিংধা ভাটিপাড়া গ্রামে আব্দুল হাসিমের ছেলে রাসেল মিয়া তমালিকা আক্তারকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তমালিকা জানতে পারেন যে, তার স্বামী রাসেল মিয়া আগেই রোকেয়া আক্তার নামে একটি নারীকে গোপনে বিয়ে করেছেন। এই বিষয়টি নিয়ে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ শুরু হয়। রাসেল মিয়া প্রায়ই তমালিকাকে মারধর করতেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে তমালিকা বাবার বাড়িতে চলে যান। পরবর্তীতে গ্রাম্য সালিশে রাসেল মিয়া তার প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তমালিকাকে আবার স্বামীর বাড়িতে নিয়ে আসেন।
 

২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি রাতে রাসেল মিয়া, তার ভাই হিমেল মিয়া এবং মা মাজেদা বেগম মিলে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী তমালিকাকে জবাই করে হত্যা করে এবং তার লাশ বসতঘরের বারান্দায় ফেলে রাখে। পরদিন বিষয়টি জানাজানি হলে আসামিরা গা ঢাকা দেয়।
 

ঘটনার পর ১০ জানুয়ারি তমালিকার বাবা রহিজ মিয়া বাদী হয়ে বারহাট্টা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে একই বছরের ৬ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বুধবার এ রায় দেন।