বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬ এ ১২:০৪:৩৪ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• বরগুনায় ৪৭০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, জামাই পলাতক; গ্রেপ্তার শ্বশুর-শাশুড়ি •       • মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে আওয়ামী লীগ, জুলাই চেতনা নিয়ে আরেক দল ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী •       • জন্মদিনে মৌসুমীকে ‘বাংলা চলচ্চিত্রের শেষ মেগাস্টার’ বললেন ওমর সানী •       • জন্মদিনে মৌসুমীর আক্ষেপ, ‘জীবনে অনেক কিছুই করার ছিল, পূরণ হয়নি সব স্বপ্ন’ •       • উৎপাদন ব্যাহত করতে উসকানি দিচ্ছে কিছু মহল, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী •       • রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির •       • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •

৫ কোটি টাকার নির্মাণাধীন ব্রিজ ভেঙ্গে পড়লো

৫ কোটি টাকার নির্মাণাধীন ব্রিজ ভেঙ্গে পড়লো

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়ের মাঝিকান্দা তালমার খালের ওপর প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মাণাধীন একটি ব্রিজ ভেঙ্গে পড়েছে। শনিবার (২৫ মার্চ) ব্রিজটি ভেঙ্গে পড়ে।

এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে যানান, ব্রিজটি নির্মাণে চরম অনিয়ম হওয়ার কারণে ভেঙ্গে পড়ছে। ভেঙ্গে পড়া ব্রিজের কাজ তরিগড়ি করে সংস্কার করছে ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠান। 

উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজের দায়িত্বে থাকা এসও) মিরান হোসেন বলেন, ‘ব্রিজটির উচ্চতা বেশি হওয়ার কারণে ধসে পড়েছে। আমরা এত উঁচু ব্রিজের কাজ আগে কখনও করিনি। ব্রিজ ভেঙ্গে পড়ার আগে ঢাকা থেকে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) এসে ব্রিজ পরিদর্শন করেছেন এবং অতি দ্রুত ব্রিজ নির্মাণ করতে নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা ১৫ দিনের মধ্যে ব্রিজের নির্মাণ কাজ শেষ করার চেষ্টা করছি। 

এ ব্যাপারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক রেজাউল করিমের মুঠোফোনে একাধিক যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি। তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি।

এছাড়া নগরকান্দা উপজেলা প্রকৌশলী মোশারফ হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। তিনি মোবাইল রিসিভ না করায় বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের এলজিইডি’র (স্থানীয় সরকার বিভাগ) নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুজ্জামান খাঁন বলেন, ‘স্টেজিং ভালো না করায় এমন ঘটনা ঘটেছে। নিচের গোড়াটা যেভাবে করার দরকার ছিল সেভাবে হয়নি বিধায় এমনটা হয়েছে। এটা একজন ঠিকাদারের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা। এ ক্ষতির দায়ভার ঠিকাদারকেই নিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কাজের মান খারাপ হওয়ার কোন সুযোগ ও সম্ভাবনা নেই।  দু’পাশের ঢালাই আরও কিছু ভেঙ্গে নতুন করে স্টেজিং করতে হবে। এর জন্য নতুন করে কোন বরাদ্দের সুযোগ নেই। ঠিকাদারের নিজস্ব অর্থায়নেই ঠিক করতে হবে।’