বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:২৪:৫১ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •

শীত বাড়ার সঙ্গে জমে উঠেছে কুড়িগ্রামে ভ্রাম্যমাণ পিঠার ব্যবসা

শীত বাড়ার সঙ্গে জমে উঠেছে কুড়িগ্রামে ভ্রাম্যমাণ পিঠার ব্যবসা

ঢাকা প্রেস
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-

 

কুড়িগ্রামে প্রতিবছর শীতের মৌসুম এলেই ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলোতে জমে উঠে ভাপা পিঠা ও চিতই পিঠার ব্যবসা।
 

শীত বাড়ার সঙ্গে জমে উঠেছে কুড়িগ্রামে ভ্রাম্যমাণ পিঠার ব্যবসা


শহরের মোড়ে মোড়ে, শপিং মলের সামনে ও বিভিন্ন মোড়ে দেখা যায় ভাপা পিঠা ও চিতই পিঠার দোকান।

 

দোকানগুলোতে ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, সিম পিঠা, তেল পিঠাসহ সিদ্ধ ডিম পাওয়া যায়। অল্প মূল্যের কারণে এসব পিঠার দোকানে বেশি বিক্রয় হয়।

 

ভাপা পিঠা প্রতিপিস ১০ টাকা ও চিতই পিঠা ১০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া চিতই পিঠার সাথে শুটকি ভর্তা, সরিষা ভর্তা ও ধনিয়া ভর্তা ফ্রি।
 

শীত বাড়ার সঙ্গে জমে উঠেছে কুড়িগ্রামে ভ্রাম্যমাণ পিঠার ব্যবসা — ছবি ২

 

শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের সামনে, মধুর মোড়ে, ভোকেশনাল মোড়, সিএন্ডবি মোড়, বাসস্ট্যান্ড, পৌর বাজার, দাদা মোড় ও ঘোষপাড়ায় ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকান বসেছে। এছাড়াও বিভিন্ন পাড়ার মোড়গুলোতেও মহিলারা ভাপা পিঠার দোকান দিয়েছে।

 

এরমধ্যে ঘোষপাড়ার দোকান সবচেয়ে বেশি ভাপা পিঠা ও চিতই পিঠা বেশি বিক্রয় হয়। এ দোকানে ১০টি চুলায় ৫ জন সদস্য ভাপা পিঠা ও চিতই তৈরি করেও সামলাতে পারে না। সন্ধ্যা হতেই কাস্টমারের ভিড় জমতে দেখা যায়। দোকানগুলোতে স্বল্পমূল্যে বিভিন্ন ধরনের পিঠা ভোজন বিলাসী মানুষ এসে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মজা করে পিঠা খাচ্ছে এবং পরিবারের ছেলে-মেয়েদের জন্য প্যাকেট করে বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন।

 

পৌর এলাকা থেকে পিঠা খেতে আসা মো. জুয়েল জানান, আমি প্রায়ই এ দোকানে চিতই পিঠা খেতে আসি এবং পরিবারের জন্য নিয়ে যাই। বিশেষ করে ১০ টাকাতে তিন প্রকার ভর্তাসহ পিঠা পাচ্ছি। এজন্যই আসা।
 

শীত বাড়ার সঙ্গে জমে উঠেছে কুড়িগ্রামে ভ্রাম্যমাণ পিঠার ব্যবসা — ছবি ৩


পিঠা ব্যবসায়ী আজিমুদ্দিন জানান, আমি ২০ বছর যাবত এখানে পিঠার দোকান করতেছি। প্রথমে ১টি চুলা দিয়ে শুরু করি। আস্তে আস্তে আল্লাহর রহমতে এখন ১০টি চুলায় বিভিন্ন প্রকার পিঠা তৈরি করে মানুষকে খাওয়াই। আমার দোকানে ছেলে ও জামাইসহ পাঁচ জন পিঠা তৈরি করে বিক্রি করি। প্রত্যেককে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা করে হাজিরা দিয়ে আমার ১ হাজার থেকে ১২শ’ টাকা থাকে।