বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:২৩:৩৫ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •

পুলিশকে ‘টিস্যুর মতো’ ব্যবহার করেছে আওয়ামী সরকার: সারজিস

পুলিশকে ‘টিস্যুর মতো’ ব্যবহার করেছে আওয়ামী সরকার: সারজিস

ঢাকা প্রেস নিউজ
 

আওয়ামী লীগ সরকার পুলিশকে ‌‘টিস্যুর মতো’ ব্যবহার করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম।
 

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর), আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিপীড়িতদের গণজমায়েতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
 

সারজিস বলেন, "আওয়ামী সরকারের আমলে পুলিশকে ব্যবহার করে জনগণের ওপর দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে। নির্বিচারে গুম-খুনের মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে।"
 

তিনি আরও বলেন, "দল-মত নির্বিশেষে জনগণ যখন ঐক্যবদ্ধভাবে রাস্তায় নেমেছে, তখনই শেখ হাসিনা পালাতে বাধ্য হয়েছেন। এখনও জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে মামলা বাণিজ্যের চেষ্টা চলছে। তবে আমরা এসবকে সফল হতে দেব না।"
 

সারজিসের মতে, জনগণের সমর্থন না থাকলে যেকোনো শাসকের অবস্থা হাসিনার মতো হবে। তিনি বলেন, "ভারতের সঙ্গে আগের মতো অসমতার সম্পর্ক আর নেই। ধর্ম বা জাতির নামে উগ্রবাদী কার্যক্রমের কোনো চেষ্টা আমরা সফল হতে দেব না। সবাই মিলে একযোগে তা প্রতিহত করব। আমরা আর ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার সুযোগ কাউকে দেব না।"


মায়ের ডাক সংগঠনের আয়োজনে এই গণজমায়েতে ভুক্তভোগী পরিবার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি, গুম কমিশন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
 

(সংশোধিত ও পুনর্গঠিত লেখাটি আরও পাঠযোগ্য ও গঠনগতভাবে সুশৃঙ্খল করা হয়েছে।)