সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:৩৪:০০ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

খেলাপি ঋণ বেড়ে ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা

খেলাপি ঋণ বেড়ে ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আবারও বেড়েছে। ঋণখেলাপিদের বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার পরও জুন প্রান্তিকে খেলাপি ঋণ প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা বেড়ে ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত জুন শেষে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা।
 

এ সময় ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশই খেলাপি হয়ে গেছে। এর তিন মাস আগে, গত মার্চ শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। সে সময় মোট ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ ছিল খেলাপি।
 

অর্থাৎ মার্চ থেকে জুন—এই তিন মাসে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৭ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা।
 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৭ কোটি টাকা। সে হিসাবে ছয় মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৪৯ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা।
 

এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ একবারে ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৪১৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছিল। ওই সময় মোট ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ ছিল খেলাপি। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন নীতিগত সুবিধা ও ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ দেওয়া হলেও ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের চাপ পুরোপুরি কমেনি।
 

ফলে জুন প্রান্তিকে আবারও খেলাপি ঋণ ৬ লাখ কোটি টাকার সীমা অতিক্রম করায় দেশের ব্যাংকিং খাতে ঋণ আদায় ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।