বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:৫৩:১৬ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

নতুন ঋণ কর্মসূচিতে রাজস্ব ও আর্থিক খাত সংস্কারে জোর আইএমএফের

নতুন ঋণ কর্মসূচিতে রাজস্ব ও আর্থিক খাত সংস্কারে জোর আইএমএফের

বাংলাদেশের জন্য প্রস্তাবিত ৪৫০ থেকে ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারের নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি ও আর্থিক খাতের সংস্কারকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটির মতে, দেশের রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত কমে ৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা বিশ্বের সর্বনিম্ন পর্যায়গুলোর একটি। এ পরিস্থিতিতে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর পাশাপাশি আর্থিক খাতের কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
 

বৃহস্পতিবার এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন আইএমএফের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর সোনালী জৈন-চন্দ্র।
 

তিনি বলেন, আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সচল রাখতে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বজায় রাখা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার যথাসময়ে বাস্তবায়ন করতে হবে।
 

বাংলাদেশের জন্য নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার অংশ হিসেবেই এসব বিষয় পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়নের বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করছে আইএমএফ। পাশাপাশি এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতিও পর্যবেক্ষণ করছে সংস্থাটি।
 

নতুন ঋণ কর্মসূচির আলোচনায় রাজস্ব ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি, আর্থিক খাতের বিদ্যমান সমস্যার সমাধান এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় রাখার বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।