বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৯:৪০:৪২ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •

ছাত্রদল নেতাকে হত্যাচেষ্টা: সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

ছাত্রদল নেতাকে হত্যাচেষ্টা: সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

ঢাকা প্রেস,রাজবাড়ী প্রতিনিধি:-

 

ছাত্রদল নেতাকে অপহরণ, নির্যাতন করে হত্যাচেষ্টা এবং চাঁদাবাজির মামলায় রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী।
 

শুক্রবার (২২ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার বোয়ালিয়া এলাকায় তার মেয়ের শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গত ২৫ আগস্ট রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি আমলি আদালতে সাবেক রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম, তার ছেলে আশিক মাহমুদ মিতুল হাকিম এবং আবুল কালাম আজাদসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন তুহিনুর রহমান। তিনি জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। মামলায় আরও তিনজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।
 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি তুহিনুর রহমানকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একটি মাইক্রোবাসে অপহরণ করা হয়। তৎকালীন রাজবাড়ী-২ আসনের এমপি এবং সাবেক রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিমের নির্দেশে এই অপহরণ সংঘটিত হয়।
 

তুহিনকে রাজবাড়ীর নাইয়েব আলীর বাড়ির একটি নির্জন কক্ষে আটকে রেখে বালিয়াকান্দি থানার সাবেক ওসি আবু সামা মো. ইকবাল হায়াতসহ অন্যদের সহায়তায় নির্যাতন চালানো হয়। নির্যাতনের সময় ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় এবং বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ৫ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের পর তুহিনকে একটি মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তুহিন ভারতের চেন্নাই ও ভেলোরের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আর্থিক সহায়তায় রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে মেরুদণ্ডে অস্ত্রোপচার করান। তার মেরুদণ্ডে সি-৪ এবং সি-৬ কৃত্রিম ডিস্ক স্থাপন করা হলেও তিনি এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন।
 

তুহিনের অভিযোগ, মামলার আসামিরা তাকে মামলা করতে বাধা দিয়ে ক্রসফায়ারের হুমকি দেন। এই ভয় থেকে তুহিন দীর্ঘদিন পরিবারসহ রাজবাড়ীর বাইরে বসবাস করেন। বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ স্বাভাবিক হওয়ায় তিনি মামলা দায়ের করেন।

 

বালিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামাল উদ্দিন জানান, তুহিনুর রহমানের দায়ের করা মামলায় আবুল কালাম আজাদ ৭ নম্বর আসামি। শুক্রবার দিবাগত রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।