মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ এ ০৭:০৬:১৯ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে আওয়ামী লীগ, জুলাই চেতনা নিয়ে আরেক দল ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী •       • জন্মদিনে মৌসুমীকে ‘বাংলা চলচ্চিত্রের শেষ মেগাস্টার’ বললেন ওমর সানী •       • জন্মদিনে মৌসুমীর আক্ষেপ, ‘জীবনে অনেক কিছুই করার ছিল, পূরণ হয়নি সব স্বপ্ন’ •       • উৎপাদন ব্যাহত করতে উসকানি দিচ্ছে কিছু মহল, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী •       • রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির •       • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •

ধরা পড়েনি এক্স-রে মেশিনে ১৪ কোটি টাকার হেরোইন

ধরা পড়েনি এক্স-রে মেশিনে ১৪ কোটি টাকার হেরোইন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে পাচারের তালিকায় এবার যোগ হলো হেরোইন। এ বন্দর দিয়ে যাওয়া দুই কেজি ২৩ গ্রাম হেরোইনসহ ভারতীয় এক নাগরিককে আটক করেছে সেখানকার কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে।

ওপারের আগরতলা ল্যান্ড কাস্টমস স্টেশনের সহকারী কমিশনার অভ্যুদয় গুহ'র একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে হেরোইন জব্দ করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ছাড়া জাগরণত্রিপুরা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণেও এ খবর ছাপা হয়েছে। 

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, হেরোইনসহ গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি হলেন ভারতের মিজোরাম রাজ্যের সারচিপ জেলার বাসিন্দা থমাস। তিনি দোহা থেকে বিমানে ঢাকায় আসেন। সেখান থেকে আখাউড়ায় এসে স্থলবন্দর দিয়ে ৯ জুন ভারতের আগরতলায় যান।


প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ওই ব্যক্তি কালো রঙের স্যুটকেসের ভেতর এক্স-রে রোধক কাগজের বোর্ড দিয়ে মুড়িয়ে দুটি প্যাকেটে করে হেরোইন নিচ্ছিলেন। এটি এক্স-রে মেশিনেও ধরা পড়েনি। তবে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি চালিয়ে সাদা হেরোইন পাউডার উদ্ধার করা হয়। 

জানা গেছে, আখাউড়া স্থলবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে অত্যাধুনিক মেশিন থাকলেও আনার পর গত এক মাসেও তারা সেটি ব্যবহার করেনি।

অভিযোগ আছে, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমঝোতা করে ওপার থেকে নিয়মিতই মোবাইল ফোন, পোশাকসহ নানা সামগ্রী বাংলাদেশে আসছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, কথিত সাংবাদিকরা, প্রভাবশালী মহলও এর সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে চলাচলকারী বাস থেকে বিপুলসংখ্যক মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার করে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।