বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১০:১৯:১২ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •       • নরসিংদীতে বাসার গ্রিল কেটে ৫০ লাখ টাকা ও ৮ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি •

উপদেষ্টা হাসান আরিফের দাফন সোমবার

উপদেষ্টা হাসান আরিফের দাফন সোমবার

ঢাকা প্রেস নিউজ

 

অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমি, বিমান ও পর্যটন উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দাফন করা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে ওইদিনই তার দাফন সম্পন্ন হবে বলে জানানো হয়েছে।
 

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন এ তথ্য জানান।
 

তিনি বলেন, হাসান আরিফের মেয়ে কানাডা থেকে রোববার (২২ ডিসেম্বর) দেশে ফিরবেন। তার ফেরার পরই পরদিন সোমবার উপদেষ্টার দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
 

এর আগে, শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এ এফ হাসান আরিফ মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮৩ বছর।
 

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে গত ৮ আগস্ট শপথ নেন হাসান আরিফ। তিনি ফখরুদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, ভূমি এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া, ২০০১ থেকে ২০০৫ সালের ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বে ছিলেন।
 

হাসান আরিফ ১৯৪১ সালের ১০ জুলাই কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। সেখানকার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন।
 

১৯৬৭ সালে তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। এরপর বাংলাদেশে এসে ১৯৭০ সালে হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।