মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ এ ০৬:১২:১৮ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে আওয়ামী লীগ, জুলাই চেতনা নিয়ে আরেক দল ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী •       • জন্মদিনে মৌসুমীকে ‘বাংলা চলচ্চিত্রের শেষ মেগাস্টার’ বললেন ওমর সানী •       • জন্মদিনে মৌসুমীর আক্ষেপ, ‘জীবনে অনেক কিছুই করার ছিল, পূরণ হয়নি সব স্বপ্ন’ •       • উৎপাদন ব্যাহত করতে উসকানি দিচ্ছে কিছু মহল, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী •       • রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির •       • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •

বিক্ষোভ সমাবেশ জবি শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরার মুক্তি দাবিতে

বিক্ষোভ সমাবেশ জবি শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরার মুক্তি দাবিতে

জামিন প্রশ্নে আবেদন শুনানি চার মাসের জন্য মুলতবি করার ফলে ১১ মাস ধরে কারাগারে আটক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। আজ সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশের শুরুতে সঞ্চালক বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল রনি বলেন, 'খাদিজাতুল কুবরার বিরুদ্ধে দুই খানায় দুই পুলিশ কর্মকর্তার করা মামলায় তাঁর বয়স দেখানো হয়েছে দুই রকম। পুলিশ যেখানে ছলছাতুরির আশ্রয় নেয় এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত থাকে, সেখানে আদালত ও সরকারের ভাষা এক হয়ে যাওয়া আমাদের কাম্য নয়।

খাদিজার ১৭ বছর বয়সে হওয়া সেই মামলাকে আমলে নেওয়া এবং আপিল শুনানি চার মাসের জন্য মুলতবি রাখার মাধ্যমে হাইকোর্ট কর্তৃক ঘোষিত জামিন স্থগিত থাকার ঘটনা দেশের জন্য সুখকর নয়।'


সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি শিমুল কুম্ভকার বলেন, 'ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ব্যবহার করে খাদিজা, ইসমাঈলের মতো শিক্ষার্থী ছাড়াও অসংখ্য সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। অথচ এই সরকারকে দুর্নীতি, অর্থপাচার, অনিয়ম ও সিন্ডিকেটবাজীর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না। এই সমস্ত ঘটনা প্রমাণ করে, আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশে এক ভয়ঙ্কর স্বৈরতন্ত্র কায়েম করেছে।

বাংলাদেশের জনগণ বাংলার মাটিতে এই আওয়ামী জালেমদের বিচার একদিন করবেই।' সমাপনী বক্তব্যে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সহসভাপতি বিল্লাল হোসেন বলেন, 'ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন একটি নিবর্তনমূলক আইন। এই আইন যে সংসদ অধিবেশনের মাধ্যমে প্রণয়ন করা হয়েছে, সে সংসদ ছিল অবৈধ। কারণ ১৫১ জন সংসদ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিল।

জনগণের প্রতিনিধিত্ব সেখানে ছিল না। 'সমাবেশ থেকে বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ ও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল এবং খাদিজাতুল কুবরাসহ এই আইনে গ্রেফতারকৃত সকলের মুক্তির দাবিতে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।