সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:৪৯:৩৮ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

প্রতিদিনের ৬ অভ্যাসে নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডায়াবেটিস

প্রতিদিনের ৬ অভ্যাসে নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডায়াবেটিস

অনলাইন ডেস্ক

 

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুধু নিয়মিত ওষুধ বা ইনসুলিন গ্রহণই যথেষ্ট নয়। এর পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অনিয়মিত ঘুম, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের কারণে অনেকের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
 

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসে পরিবর্তন আনলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকটাই সহজ হতে পারে। নিউজ১৮-এর এক প্রতিবেদনে এ বিষয়ে কয়েকটি অভ্যাসের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
 

১. নিয়মিত হাঁটা ও শরীরচর্চা

ডায়াবেটিস রোগীর ওজন বেশি হোক বা স্বাভাবিক—সবার জন্যই সক্রিয় জীবনযাপন জরুরি। নিয়মিত হাঁটা বা শরীরচর্চা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং ওজন ঠিক রাখতে সহায়তা করে। ভারতের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শ্যামল কুমার বিশ্বাসের মতে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় হাঁটার অভ্যাস শরীরকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। তাই দীর্ঘ সময় একটানা বসে না থেকে দৈনন্দিন কাজে শারীরিক পরিশ্রম বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।
 

২. সুষম ও নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিকর এবং তুলনামূলক কম চর্বি ও ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেছে নেওয়া উচিত। খাদ্যতালিকায় পরিমাণমতো শাকসবজি, ফল ও শস্যজাতীয় খাবার রাখা যেতে পারে। তবে সবার শারীরিক প্রয়োজন এক নয়। তাই চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যক্তিগত খাদ্যতালিকা তৈরি করা ভালো।
 

৩. মানসিক চাপ কমানো

অতিরিক্ত মানসিক চাপ রক্তে শর্করার মাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে মানসিক চাপ কমানোর অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। নিয়মিত ধ্যান, যোগব্যায়াম কিংবা নিজের পছন্দের কাজে সময় কাটানো এ ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।
 

৪. পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত ঘুমের গুরুত্বও রয়েছে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার অভ্যাস শরীরের সামগ্রিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়মিত বা অপর্যাপ্ত ঘুম জীবনযাত্রার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।
 

৫. দীর্ঘক্ষণ বসে না থাকা

একটানা দীর্ঘ সময় বসে থাকা এড়িয়ে চলা উচিত। কাজের ফাঁকে উঠে কিছুক্ষণ হাঁটা বা হালকা শারীরিক কর্মকাণ্ড করার অভ্যাস করা যেতে পারে। এতে দৈনন্দিন শারীরিক সক্রিয়তা বাড়ে এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।
 

৬. চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ওষুধ গ্রহণ

জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা মানে নিজের ইচ্ছায় ডায়াবেটিসের ওষুধ বা ইনসুলিন বন্ধ করে দেওয়া নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণের পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা, নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।
 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব অভ্যাস নিয়মিতভাবে অনুসরণ করলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হতে পারে। তবে ওষুধের মাত্রা পরিবর্তন বা বন্ধ করার ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।