সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:৪২:৩২ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

হিজরি নববর্ষে পবিত্র মসজিদুল হারামে নতুন মিম্বার সংযুক্ত

হিজরি নববর্ষে পবিত্র মসজিদুল হারামে নতুন মিম্বার সংযুক্ত

হিজরি নববর্ষে পবিত্র মসজিদুল হারামে নতুন মিম্বার সংযুক্ত করা হয়েছে। গত শুক্রবার (২১ জুলাই) ১৪৪৫ হিজরির প্রথম জুমার খুতবা নতুন এই মিম্বারে দেওয়া হয়। নতুন এই মিম্বারের সাজসজ্জায় কিছুটা নতুনত্ব রয়েছে। এতে রয়েছে মসজিদুল হারামের নতুন সমপ্রসারিত আর-রুওয়াক অংশের স্থাপত্যশৈলীর ছাপ।

কাঠের তৈরি সাদা রঙের এই মিম্বারে দুটি সিঁড়ি রয়েছে। আর তৃতীয় স্তরটি ইমামের বসার স্থান। চারপাশের চারটি খুঁটির ওপর তা তৈরি করা হয়। আর ওপরে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন ছাদ।

এর চারপাশের সোনালি রং দিয়ে আটবার ‘আল্লাহু’ লেখা হয়। সূর্যের আলোতে তা ঝলঝল করতে থাকে। ছাদের ওপর রয়েছে সোনালি রঙের তারকা। আর সামনের দিকে একটি ছোট দরজা আছে।


সাধারণত পবিত্র মসজিদুল হারামের মিম্বার তিন স্তরের হয়ে থাকে। এর উচ্চতা ৩.০৪ মিটার ও প্রস্থ ১.২০ মিটার। সব মসজিদে জুমার খুতবা দেওয়ার জন্য মিম্বার ব্যবহার করা হয়। মিম্বার সাধারণত মেঝে থেকে কয়েক ধাপ উঁচু হয়ে থাকে। তবে ছোট আকারের মিম্বারও দেখা যায়।

মিহরাবের ডান পাশে মিম্বার স্থাপন করা হয়। রাসুল (সা.) তিন ধাপবিশিষ্ট মিম্বার ব্যবহার করতেন। হাদিসে মিম্বার ব্যবহারের কথা এসেছে। আনাস ইবনে মালিক (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসুল (সা.) জুমার দিনে মসজিদের একটি কাষ্ঠখণ্ডের সঙ্গে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে মানুষের উদ্দেশে খুতবা দিতেন। 


রোম বংশোদ্ভূত এক লোক এসে বলল, আমি আপনাকে এমন কিছু বানিয়ে দেব, তাতে বসার পরও মনে হবে আপনি দাঁড়িয়ে আছেন। লোকটি রাসুলের জন্য একটি মিম্বার তৈরি করল। এর (নিচের দিকে) দুটি সিঁড়ি ছিল। আর (ওপরের দিকে) তৃতীয় সিঁড়িতে তিনি বসতেন।

অতঃপর রাসুল (সা.) ওই মিম্বারের ওপর বসলে আগের কাষ্ঠখণ্ডটি ষাঁড়ের মতো আর্তনাদ করা শুরু করে। এমনকি রাসুল (সা.)-এর বিচ্ছেদের শোকে পুরো মসজিদ প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। তখন রাসুল (সা.) মিম্বার থেকে নেমে কাষ্ঠখণ্ডের দিকে যান। আওয়াজ করা সেই কাষ্ঠখণ্ডকে তিনি ধরেন। 

রাসুল (সা.) স্পর্শ করামাত্রই তা শান্ত হয়। তারপর তিনি বলেন, ‘ওই মহান সত্তার কসম, যার হাতে মুহাম্মদের প্রাণ, আমি একে আলিঙ্গন না করলে তা অবশ্যই কিয়ামত পর্যন্ত রাসুল (সা.)-এর শোকে এভাবে কাঁদতে থাকত।’ রাসুল (সা.) এটিকে দাফন করার নির্দেশ দেন। অতঃপর তাকে দাফন করা হয়। (তিরমিজি, হাদিস : ৩৬৩১)