সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:০১:১৯ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ১১ বছর বয়সী শিশু ফাহিম সাত মাসে কোরআনে

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ১১ বছর বয়সী শিশু ফাহিম সাত মাসে কোরআনে

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ১১ বছর বয়সী শিশু ওমর ফারুক ফাহিম সাত মাসে কোরআনে হাফেজ হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ৩০ পারা কোরআন আয়ত্ত করে পরিবার ও শিক্ষকদের অবাক করে দিয়েছে ফাহিম।ফাহিম রামগঞ্জ উপজেলার লামচর ইউনিয়নের কাশিমনগর গ্রামের বেপারীবাড়ির ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের ছেলে। সে উপজেলার মাঝিরগাঁও মাদরাসা-ই-দারুল উলুম মাদানিয়ার (সাবেক মনিকানন) ছাত্র।


ওমর ফারুক ফাহিম বলে, ‘মা-বাবা আমাকে ইসলামের পথে দেখতে চেয়েছিলেন। এ জন্য আমাকে মাদরাসায় হিফজ বিভাগে ভর্তি করান। আমি তাঁদের স্বপ্ন পূরণে মনোযোগ দিয়ে কোরআন পড়তে শুরু করি। মুসলিম হিসেবে কোরআনে হাফেজ হওয়া আমার জন্য সর্বোচ্চ পাওয়া।’ ফাহিমের বাবা মিজানুর রহমান বলেন, ‘কোরআনে হাফেজ হয়ে ফাহিম আমাদের স্বপ্ন পূরণ করেছে। তার জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।’

 

মাদরাসা-ই-দারুল উলুম মাদানিয়ার হিফজ বিভাগের শিক্ষক মো. ইউসুফ বলেন, ‘ফাহিম প্রতিভাবান ছাত্র। সাত মাসেই সে পুরো ৩০ পারা কোরআন আয়ত্ত করতে পেরেছে। আশা করছি, এই প্রতিভা কাজে লাগিয়ে সে একদিন বড় আলেম হবে।’ মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ফাহিম গত বছর আমাদের মাদরাসায় ভর্তি হয়। সে খুব ভালো একজন ছাত্র। আল্লাহর অশেষ রহমতে সে অল্প সময়ে হাফেজ হয়েছে। এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। তাকে দেখে অন্য শিক্ষার্থীরাও ব্যাপক উৎসাহ পাচ্ছে।’