সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:১২:৩২ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

ইয়াবা বেচা–কেনার ‘সর্গরাজ্য’ সীতাকুণ্ড — কুমিরায় মাদক নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৩

ইয়াবা বেচা–কেনার ‘সর্গরাজ্য’ সীতাকুণ্ড — কুমিরায় মাদক নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৩

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি :
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের কুমিরা রেলস্টেশন এলাকায় মাদক বেচা–কেনায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে কুমিরা রেলস্টেশন এলাকায় দুই মাদক বিক্রেতাগোষ্ঠীর মধ্যে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে রেললাইনের ওপর মারামারি শুরু হয়। এসময় জয়নাল আবেদীন (পিতা: জানে আলম) নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। তাকে সীতাকুণ্ড হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চমেক হাসপাতালে পাঠান। তার শরীর ও হাঁটুতে গুরুতর আঘাত রয়েছে বলে চিকিৎসক জানান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কুমিরা এলাকা দীর্ঘদিন ধরে মাদক বেচা–কেনার ‘সর্গরাজ্য’ হিসেবে পরিচিত। মাদকসেবীদের কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলও ব্যাহত হয়।

তারা আরও জানান, সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, সলিমপুর লিংকরোড, বাংলাবাজার, ভাটিয়ারী স্টেশন রোড, বালুরাস্তাসহ উপজেলার বহু এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি চলছে। প্রতিবাদ করলে মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে নাজেহাল হওয়ার পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকির ঘটনাও ঘটে থাকে।

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশের তৎপরতা কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা আমাদের সময়–কে বলেন, আমাদের লোকবল কম। সময়মতো পুলিশ পাওয়া যায় না বলে অভিযান কম হয়। তবে আমরা প্রতি মাসে ৪–৫টি মামলা করছি।