মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৯:১৬:০৯ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

সরকারি কর্মচারী ও ব্যবসায়ীদের ভিসা নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আতঙ্ক, যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সরকারি কর্মচারী ও ব্যবসায়ীদের ভিসা নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আতঙ্ক, যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, এবারের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন একটি আদর্শ নির্বাচন হবে। নির্বাচনে অন্তত ৫০ শতাংশ ভোট পড়বে। বিএনপির অংশগ্রহণ না করাটা বড় কোনো ইস্যু হবে না। যুক্তরাষ্ট্র ‘ডকট্রিন অব রিয়েলিটি’তে বিশ্বাস করে। তারা বাস্তবতা অনুধাবন করবে।

সম্প্রতি একান্ত সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। 

ড. মোমেন বলেন, যারা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা বলছেন, তাদের দেশে ভোটার উপস্থিতির সংখ্যা খুব কম হয়। আমেরিকার কথাই ধরেন। সেখানে ভোটার উপস্থিতি উপনির্বাচনে এক-দেড় শতাংশ। আমেরিকায় অনেক রাজ্য আছে, যেখানে ভোটে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীই থাকে না। সেগুলোকে তারা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলে। আমাদের আগামী নির্বাচনে প্রায় ২৫টি দল অংশ নিচ্ছে।

সরকারি কর্মচারী ও ব্যবসায়ীদের ভিসা নিষেধাজ্ঞা আতঙ্ক নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেসব সরকারি কর্মকর্তার ছেলেমেয়ে বিদেশে থাকে, দুর্নীতি করে যারা বিদেশে বাড়িঘর করেছে; তাদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক রয়েছে। আর কিছু ব্যবসায়ীর মধ্যে মার্কিন ভিসানীতি কিছুটা উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এর বাইরে আমাদের ভোটার বা জনসংখ্যার মধ্যে তেমন কোনো মার্কিন ভিসানীতি নিয়ে উদ্বিগ্ন নই।

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্যে করছি যে, যারা হরতাল-অবরোধ করছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ভিসানীতি হয় কিনা। যদি তাদের ক্ষেত্রে কোনো ভিসানীতি না হয়, তা হলে অন্যরাও তেমন ভিসানীতিকে পাত্তা দেবে না। তখন তারা মার্কিন ভিসানীতিকে ভুয়া হিসেবে ধরে নেবে।