শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৯:১১:৫৮ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: পররাষ্ট্র উপদেষ্টার মন্তব্য ও চীনের ভূমিকা

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: পররাষ্ট্র উপদেষ্টার মন্তব্য ও চীনের ভূমিকা

ঢাকা প্রেস নিউজ

 

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন সম্প্রতি জোরালোভাবে দাবি করেছেন যে, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোই একমাত্র সমাধান। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও পরিবেশের জন্য রোহিঙ্গাদের উপস্থিতি ক্ষতিকর এবং তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য চীনের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।
 

এই বক্তব্যটি সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশের বিভিন্ন সংকটে চীনের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেছেন এবং ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কের স্থায়িত্বের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দ্রুতই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সহ সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে।
 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে বর্তমানে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই ২০১৭ সালের রোহিঙ্গা সংকটের সময় মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশ সরকার বারবার জানিয়েছে যে, তারা আর কোনো রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিতে পারবে না। তবে সীমান্ত দিয়ে নতুন করে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। সরকারের হিসাবে গত দেড় মাসে ৮ হাজারেরও বেশি নতুন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
 

এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে এখনো রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।