বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:৩২:০২ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •

নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে দিনব্যাপী ‘জাহাঙ্গীরনগর ব্লকেড’ কর্মসূচি

নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে দিনব্যাপী ‘জাহাঙ্গীরনগর ব্লকেড’ কর্মসূচি

ঢাকা প্রেস,জাবি প্রতিনিধি:-
 

ব্যাটারিচালিত রিকশার ধাক্কায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে নবীন শিক্ষার্থী আফসানা করিম রাচির মৃত্যুর প্রতিবাদে দিনব্যাপী ‘জাহাঙ্গীরনগর ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।
 

বুধবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। পাশাপাশি জয় বাংলা গেট (প্রান্তিক গেট)সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথেও তালা ঝুলিয়ে দেন তারা।
 

এই কর্মসূচির ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ফটক দিয়ে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ থাকে।
 

অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের বলতে শোনা যায়, ‘আমার বোন মরল কেন, প্রশাসন জবাব দে’, ‘আমরা সবাই রাচির ভাই, রাচি হত্যার বিচার চাই’, ‘আমার বোন কবরে, খুনি কেন বাহিরে?’ ইত্যাদি স্লোগান।
 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রান্তিক গেটে দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মী পারভেজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা সকালে গেটে তালা লাগিয়েছে। আমরা সকাল থেকে কোনো যানবাহন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দিচ্ছি না।’
 

নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের বোন রাচির মৃত্যুর প্রতিবাদে আজকের এই ব্লকেড কর্মসূচি পালন করছি। গতকালই প্রশাসনের কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই আমরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিলাম। প্রশাসন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আমাদের দাবিগুলো পূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে এই সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নিলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবো এবং সিনিয়র ব্যাচগুলোকে আমাদের সঙ্গে সংহতি জানাতে আহ্বান জানাবো।’
 

আরেকজন শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মাত্র এক মাস হলো ক্যাম্পাসে পা রেখেছি। এর মধ্যেই বন্ধুর লাশ উপহার পেলাম। এই মর্মান্তিক ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসে কোনো চাকা ঘুরতে দেবো না।’
 

শিক্ষার্থীরা দাবি করেছেন, প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে।