সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০১:৩৩:৪২ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

কানতাস এয়ারওয়েজ অবৈধভাবে ছাঁটাই করেছে ১ হাজার ৭০০ কর্মী

কানতাস এয়ারওয়েজ অবৈধভাবে ছাঁটাই করেছে ১ হাজার ৭০০ কর্মী

অস্ট্রেলিয়ার শত বছরের পুরোনো কানতাস এয়ারওয়েজ লিমিটেড করোনা মহামারি চলাকালে অবৈধভাবে ১ হাজার ৭০০ কর্মীকে ছাঁটাই করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত।

আদালত সর্বসম্মতিক্রমে বলেছেন, ২০২০ সালের নভেম্বরে ১০টি বিমানবন্দরে কানতাস বেআইনিভাবে এসব কর্মীদের ছাঁটাই করেছিল। এর মাধ্যমে কানতাস কর্মীদের অধিকার রক্ষায় অস্ট্রেলিয়ার ফেয়ার ওয়ার্ক আইন লঙ্ঘন করেছে।

কানতাস ওই কর্মীদের আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ দিয়েছিল। কোভিডের সময় প্রয়োজনীয় আর্থিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তাঁদের ছাঁটাই করে কানতাস। এ কারণে দুঃখপ্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।


করোনা মহামারির সময় অস্ট্রেলিয়া তার সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছিল। এতে সব ধরনের ব্যবসা হ্রাস পেয়েছিল। ঠিক এমন সময় এয়ারলাইনসটি দেশজুড়ে বিমানবন্দরের লাগেজ হ্যান্ডলার ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ছাঁটাই করে।

আজ বুধবার কানতাসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা শুরু থেকেই বলেছি, আউটসোর্সিং সিদ্ধান্তের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সবার ওপর ব্যক্তিগত প্রভাবের জন্য আমরা গভীরভাবে দুঃখিত এবং আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।’


আদালত সর্বসম্মতিক্রমে বলেছেন, ২০২০ সালের নভেম্বরে ১০টি বিমানবন্দরে কানতাস বেআইনিভাবে এসব কর্মীদের ছাঁটাই করেছিল। এর মাধ্যমে কানতাস কর্মীদের অধিকার রক্ষায় অস্ট্রেলিয়ার ফেয়ার ওয়ার্ক আইন লঙ্ঘন করেছে।


অস্ট্রেলিয়ার হাইকোর্ট বলেছেন, যদিও কানতাসের এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে কিছুটা বাণিজ্যিক কারণ ছিল। তারপরও কর্মীদের সুরক্ষিত ও দর–কষাকষির অধিকার থেকে তারা বঞ্চিত করেছিল।

মামলার সঙ্গে জড়িত শ্রমিক ইউনিয়ন ও শ্রমিকেরা এই রায়কে তাঁদের ‘বিশাল জয়’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন বলেছে, তথ্য-উপাত্ত প্রমাণ করে যে কানতাস বোর্ডকে একজন শ্রমিক প্রতিনিধিসহ নতুন পরিচালকদের দ্বারা প্রতিস্থাপিত করতে হবে।


এর জাতীয় সেক্রেটারি মাইকেল কাইন এ ঘটনাকে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে ‘সবচেয়ে বড় অবৈধ ছাঁটাই’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, শ্রমিকেরা এখন আদালতে ক্ষতিপূরণ চাইবেন।

সাম্প্রতিক সপ্তাহে কানতাস জনগণের ক্ষোভের মুখোমুখি হয়েছে। কোভিডের সময় একাধিক কেলেঙ্কারির মধ্যেও প্রতিষ্ঠানটি রেকর্ড পরিমাণ মুনাফা অর্জন করেছে। বাতিল হওয়া হাজারো ফ্লাইটের টিকিটও বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ আছে।

এসব বিতর্কের মধ্যে গত সপ্তাহে কানতাসে দীর্ঘদিন ধরে প্রধানের দায়িত্বে থাকা অ্যালান জয়েস পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন ভেনেসা হাডসন। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম নারী প্রধান। ভেনেসা প্রতিষ্ঠানটির খ্যাতি পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।