সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:১৮:৪০ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

এক প্রতিভাবান অভিনেতার অমীমাংসিত দাবি

এক প্রতিভাবান অভিনেতার অমীমাংসিত দাবি

ঢাকা প্রেস নিউজ, বিনোদন প্রতিবেদক
প্রযোজকদের কাছে দিলদারের লাখ লাখ টাকা পাওনা.....



 

দিলদার হোসেন, একজন অসাধারণ অভিনেতা যিনি কৌতুক অভিনয়ের মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রে অনন্য স্বাক্ষর রেখেছিলেন। ২০০৩ সালের ১৩ জুলাই তিনি পরলোক গমন করেন। তার মৃত্যুর ২০ বছর পরও, তার অসাধারণ অভিনয় দর্শকদের মনে গেঁথে আছে।
 

দিলদারের জীবদ্দশায় অর্জিত খ্যাতি ও সম্মানের সাথে সাথে অভিনয়ের জন্য তিনি প্রচুর পারিশ্রমিকও পেতেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, তার মৃত্যুর পরও প্রযোজকদের কাছে তার ৮০ লাখ টাকারও বেশি পারিশ্রমিক পাওনা থেকে যায়।
 

তার বড় মেয়ে রুমা বলেন, তার বাবা কখনোই কারো কাছে একবারের বেশি টাকা চাইতেন না। বরং, বেশিরভাগ সময়ই তিনি অগ্রিম পারিশ্রমিক নিয়ে নিতেন। কিন্তু কিছু পরিচিত ও কাছের প্রযোজকের কাছে অগ্রিম টাকা চাননি, যার ফলে তার এত টাকা পাওনা থেকে যায়।
 

এই ৮০ লাখ টাকার মধ্যে ৩৫ লাখ টাকা ছিল "আব্দুল্লাহ" ছবির পারিশ্রমিক। চুক্তি অনুযায়ী, ছবিটি যদি হিট হয় তবে দিলদারকে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে। "আব্দুল্লাহ" ছবিটি বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে, কিন্তু দিলদার তার প্রাপ্য পারিশ্রমিক পাননি।
 

বর্তমানে, দিলদারের পরিবার তাদের পাওনা টাকা সম্পর্কে আর কোন দাবি-দাওয়া করতে চায় না। তাদের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা হল তাদের প্রিয় মানুষটি যেন সকলের দ্বারা স্মরণে রাখা হয়।
 

দিলদারের মৃত্যুর পর তার পরিবার যেসব সংকটের সম্মুখীন হয়েছিল:

দিলদারের মৃত্যুর পর তাদের আর্থিক ভিত্তিস্তম্ভ ভেঙে পড়ে। অনেক পরিচিত মানুষই তখন তাদের পাশে দাঁড়ায়নি। প্রযোজকরাও দিলদারের পাওনা টাকা পরিশোধ করেনি।

 

শিল্পীদের ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা উচিত। শিল্পীদের মৃত্যুর পর তাদের পরিবারের যাতে কোনো সংকটের সম্মুখীন হতে না হয়, সে dafür রাষ্ট্র ও সমাজের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। আমাদের দিলদারের মতো প্রতিভাবান শিল্পীদের কখনোই ভুলে যাওয়া উচিত নয়। তাদের অবদানকে সর্বদা স্মরণে রাখা উচিত।
 

দিলদার হোসেন চলে গেলেও তার অসাধারণ অভিনয় চিরকাল বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে লেখা থাকবে।