শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:০৯:৫০ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• মুরাদনগরে সাবেক মেম্বারের বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি •       • রাজধানীতে বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৩৪, মামলা ৩৭ •       • মুরাদনগরে ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি হোসেন গ্রেফতার •       • আল্লামা হাশেমী শিক্ষা বৃত্তি অর্জন: একই মঞ্চে বাবার গৌরব ও মেয়ের জোড়া সাফল্য •       • চুনারুঘাটে অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন: চালক আটক, ১ লাখ টাকা জরিমানা •       • কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মর্মান্তিক মৃত্যু, নিখোঁজ ২ •       • শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসবে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে আনসার-ভিডিপি: উপ-মহাপরিচালক ড. সাইফুর রহমান •       • হাতিয়ায় ছাত্রশিবিরের জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন: চ্যাম্পিয়ন তমরুদ্দি হাইস্কুল •       • কীর্তিমানের আলো ও মেধার সম্মান: রাজধানীতে চট্টগ্রাম সমিতির মহা-মিলনমেলা •       • বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার আহ্বান •

হাসপাতালে সেনা অভিযানে চিকিৎসকসহ আটক ৩

হাসপাতালে সেনা অভিযানে চিকিৎসকসহ আটক ৩

আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
 

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে চোরাই ওষুধসহ দুজনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। এ সময় ওষুধ চুরিতে সহায়তার সন্দেহে এক চিকিৎসককেও আটক করা হয়েছে।
 

শনিবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে এ অভিযান চালানো হয়।
 

আটকরা হলেন, উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মোল্লারহাট এলাকার মৃত আব্দুল বারেকের ছেলে হামিদুল হক ও সদর উপজেলার পাটেশ্বরী এলাকার হানিফ আলীর মেয়ে হামিদা বেগম। আটক চিকিৎসকের নাম ডা. ওবায়দুল হক। তিনি ওই হাসপাতালের ইউনানি মেডিকেল কর্মকর্তা পদে কর্মরত রয়েছেন। ডা. ওবায়দুল হকের স্বাক্ষর করা ৫০টি ওষুধ উত্তোলনের স্লিপ পাওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে।

 

হাসপাতালে সেনা অভিযানে চিকিৎসকসহ আটক ৩


 

সেনাবাহিনীর কুড়িগ্রাম ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন সাফায়াত হোসেন জানান, গোপনে সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। এ সময় একজন পুরুষ ও একজন নারীর কাছে ৯৬৫টি সরকারি বিভিন্ন ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়।
 

স্থানীয়রা জানান, সরকারি ওষুধগুলো তারা অন্যত্র বিক্রি করার উদ্দেশ্যে তুলেছে। তাদের সংঙ্গে হাসপাতালের লোকজন জড়িত রয়েছে। প্রায়ই এমন ঘটনা ঘটে। অভিযানে হাসপাতালের এক চিকিৎসকের ইস্যু করা ৫০টি ওষুধ নেওয়ার স্লিপ উদ্ধার করে সেনাবাহিনী। এসব স্লিপ দিয়েও ওষুধ
উত্তোলন করা হত। একসঙ্গে এতা স্লিপ থাকার কথা নয়। বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব স্লিপ দেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

চিকিৎসকসহ আটক প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানান সেনাবাহিনীর এ কর্মকর্তা।
 

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শহিদুল্লাহ লিংকন জানান, হাসপাতালে জনবল সংকট থাকায় ওষুধ চুরির ঘটনা রোধ করা যাচ্ছেনা। তবে আরও সচেতন হবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।


ওষুধ চুরির সঙ্গে আর কেউ জড়িত থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।