সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:০৯:৫৪ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

আইসিইউতে চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার, শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ

আইসিইউতে চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার, শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ

বিনোদন প্রতিবেদক

 

দেশের বরেণ্য চিত্রশিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও পাপেট আন্দোলনের পথিকৃৎ মুস্তাফা মনোয়ার গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত চার দিন ধরে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)তে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ জুন শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জরুরি বিভাগে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তার শারীরিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আইসিইউতে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেন।
 

শিল্পীর স্ত্রী মেরী মনোয়ার গণমাধ্যমকে জানান, রক্তচাপ ও শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। বর্তমানে সেখানেই নিবিড় পর্যবেক্ষণের মধ্যে তার চিকিৎসা চলছে।
 

পরিবারের সদস্যরা জানান, বয়সজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন মুস্তাফা মনোয়ার। এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে তাকে লাইফ সাপোর্টেও রাখা হয়েছিল। পরে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলেও সম্প্রতি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর আবারও তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।
 

বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির অঙ্গনে মুস্তাফা মনোয়ার এক সুপরিচিত নাম। শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও তিনি দেশের পাপেট আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। শিশু-কিশোরদের জন্য টেলিভিশনে নির্মিত তার নানা অনুষ্ঠান ও সৃজনশীল উদ্যোগ একাধিক প্রজন্মের শৈশবকে সমৃদ্ধ করেছে।
 

শিল্প ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০০৪ সালে একুশে পদক লাভ করেন। এছাড়া ২০১৮ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রদত্ত ‘সুলতান স্বর্ণপদক’-এ ভূষিত হন। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।