সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৯:৫৯:৪৩ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

গান থেকে দূরে থাকা সম্ভব নয়: দিলরুবা খান

গান থেকে দূরে থাকা সম্ভব নয়: দিলরুবা খান

বিনোদন প্রতিবেদক:-
 

 

বিরতির পর বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) একক সংগীতানুষ্ঠানে গান গেয়েছেন ফোক গানের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী দিলরুবা খান। ‘সুরের মালা’ নামক এই অনুষ্ঠানের রেকর্ডিং সম্প্রতি বিটিভির নিজস্ব স্টুডিওতে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রযোজক ছিলেন তারিকুজ্জামান মিলন, এবং মকসুদ জামিল মিন্টুর সংগীত পরিচালনায় গ্রন্থনা ও গবেষণা করেছেন কাজী ফারুক বাবুল। জানা গেছে, অনুষ্ঠানে দিলরুবা খান গেয়েছেন জনপ্রিয় গানগুলো—‘নির্জনও যমুনার কূলে’, ‘ভ্রমর কইয়ো গিয়া’, ‘পাগল মন’, ‘তোমার আমার দুই মেরুতে বাস’, ‘দরদী’সহ আরও বেশ কিছু গান। শিগগিরই এই অনুষ্ঠানটি বিটিভিতে প্রচারিত হবে।
 

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার অনুভূতি সম্পর্কে দিলরুবা খান বলেন, ‘‘বেশ বিরতির পর বিটিভির জন্য গান গাইতে পেরে ভালো লাগছে। এতে আমার বেশির ভাগ জনপ্রিয় গানগুলো করেছি। ক্যারিয়ারের এই সময়ে এসে গান করা সত্যিই আনন্দদায়ক। বিটিভি আমার প্রাণের জায়গা। যখনই এই চ্যানেল থেকে গানের প্রস্তাব আসে, আমি তা না করতে পারি না। কারণ, আমি সবসময় গানের মধ্যে থাকতে ভালোবাসি, গান থেকে দূরে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। অনুষ্ঠানটি আমি ৮টি গান লাইভ গেয়ে করেছি, লাইভ গাওয়ার মজা আলাদা।’’
 

গান গাওয়ার মাধ্যমে শিল্পী আবদুল আলীমের গান গেয়ে সংগীত জগতে যাত্রা শুরু করেন দিলরুবা খান। তাঁর বাবা সৈয়দ হামিদুর রহমান রাজশাহী ও রংপুর বেতারের শিল্পী হলেও তিনি চাননি তাঁর মেয়ে গান গাইবেন। তবে গান নিয়ে প্রবল আগ্রহ এবং নিজস্ব প্রতিভার মাধ্যমে লোকগানে নিজের স্থান তৈরি করেন দিলরুবা। তাঁর গাওয়া ‘দুই ভূবনের দুই বাসিন্দা, বন্ধু চিরকাল’ গানটি প্রকাশের পর তিনি আর পেছনে ফিরে তাকাননি। ১৯৯১ সালে ‘পাগল মন’ গানটি অসীম জনপ্রিয়তা পায়, যার ফলে তাঁর নাম হয়ে ওঠে ‘পাগল মন দিলরুবা’। সুরের প্রতি ভালোবাসা এবং সংগীতের প্রতি মায়া তাঁকে প্রতিষ্ঠিত করেছে এক শ্রুতিমাধুর্যপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে।
 

গান গাওয়ার পাশাপাশি দিলরুবা খান বাসায় গাছের যত্ন, রান্নাবান্না ও সংগীতচর্চা করেন। মাঝে মাঝে নিজের ‘দিলরুবা খান অফিসিয়াল’ ইউটিউব চ্যানেলে নতুন নতুন গান প্রকাশ করেন। সম্প্রতি, ‘পথিকের পথ’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পেয়েছে তাঁর গাওয়া গান ‘দরদি’, যা লিখেছেন পথিক এবং সুরও করেছেন তিনি।
 

‘দরদি’ গান প্রসঙ্গে দিলরুবা খান বলেন, ‘‘আমি গান গাওয়ার মধ্যে প্রকৃত আনন্দ খুঁজে পাই। ‘রেললাইন’, ‘ভ্রমর কইয়ো গিয়া’, ‘নির্জন যমুনার কূলে’—এই ধরনের গান গাইতে আমার খুব ভালো লাগে। ‘দরদি’ গানটি সেরকমই একটি গান। যারা গানটি শুনেছেন, তাদের কাছ থেকে প্রশংসা পাচ্ছি। ভালো গানের শ্রোতাদের কখনও অভাব হয় না, আর এই বিষয়টি আমি বারবার প্রমাণিত দেখেছি।’’