সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৭:৩৭:১১ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

আসিফ-মানাম জুটি, কিশোর গাইলেন ‘আমি কেমন তুমি জানো’

আসিফ-মানাম জুটি, কিশোর গাইলেন ‘আমি কেমন তুমি জানো’

‘আমি কেমন তুমি জানো’—শিরোনামটির মধ্যেই যেন এক অদ্ভুত আবেগের আবেদন লুকিয়ে আছে। প্রেমিক–প্রেমিকার না বলা অনুভূতি, আকুলতা আর সম্পর্কের সূক্ষ্ম টানাপোড়েন যেন ধরা দিয়েছে এই নামেই। এমন আবেগঘন একটি গান গেয়েছেন কণ্ঠশিল্পী কিশোর দাস। আগামী ১৭ মার্চ গানটি প্রকাশ পাবে গানচিল মিউজিকের ইউটিউব চ্যানেলে।

 

রোমান্টিকতার সঙ্গে হালকা হাহাকার মেশানো আবহে নির্মিত গানটির কথা লিখেছেন গীতিকার আসিফ ইকবাল। গানটির সংগীতায়োজন করেছেন ব্যান্ড সংগীতের পরিচিত মুখ মানাম আহমেদ এবং সুর করেছেন অমিত চ্যাটার্জি।

 

গানের আবেগের সঙ্গে মিল রেখে এর ভিডিও দৃশ্যধারণ করা হয়েছে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা রাঙামাটিতে। মনোরম লোকেশনজুড়ে নির্মিত হয়েছে পুরো ভিডিও। এতে অভিনয় করেছেন প্রান্তর দস্তিদার ও স্বর্ণালি চৈতী। ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন মোহাম্মদ আলী।

 

গানটি নিয়ে কিশোর দাস বলেন, ‘আমি কেমন তুমি জানো’ গানচিলের ব্যানারে প্রকাশ পাচ্ছে। গানটি হয়ে ওঠার পেছনে মূল কৃতিত্ব অবশ্যই গীতিকার আসিফ ইকবাল ভাইয়ের। তিনি অসাধারণ একটি লিরিক লিখেছেন। আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি, কারণ আসিফ ভাইয়ের প্রিয় কিছু গান গাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। এর মধ্যে রয়েছে ‘হৃদয় দিয়ে ভালোবাসে যারা’ এবং ‘সবটা জুড়ে তুমি’। এবার করলাম ‘আমি কেমন তুমি জানো’। গানটি তৈরি হওয়ার পেছনে মানাম আহমেদ ভাইয়েরও বড় ভূমিকা রয়েছে। আমরা প্রায় আট থেকে দশ দিন একসঙ্গে কাজ করেছি। গানটির মধ্যে যেমন এক ধরনের শান্তি আছে, তেমনি আছে একটুখানি হাহাকার এবং না বলা কিছু অনুভূতি।’

 

গানটি নিয়ে আশাবাদী গীতিকার আসিফ ইকবালও। তিনি বলেন, ‘শিরোনাম থেকেই বোঝা যায় গানটিতে প্রেম, হাহাকার এবং না বলা কিছু অনুভূতির কথা আছে। সেই আবেগটাই কথার মধ্যে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। কিশোর দারুণ গেয়েছে, মানাম আহমেদ অসাধারণ সংগীত করেছেন এবং অমিত চ্যাটার্জিও খুব সুন্দর সুর দিয়েছেন। সব মিলিয়ে গানটি নান্দনিক হয়ে উঠেছে বলে মনে করি। আশা করি শ্রোতারা নিরাশ হবেন না। গানটির ভিডিও দেখেও দর্শকরা চোখের আরাম পাবেন।’

 

মিউজিক পরিচালক মানাম আহমেদ বলেন, ‘গানটির সুর ও সংগীতে আমরা একটি সফট রোমান্টিক আবহ তৈরি করার চেষ্টা করেছি, যাতে কথার আবেগটি সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে।’

 

ভিডিও নির্মাতা মোহাম্মদ আলীর ভাষ্য, ‘গানটির কথা, সুর ও গায়কীর যে আবেগ—তা দৃশ্যের মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। চরিত্রগুলোর বিষাদময় অনুভূতিকে রাঙামাটির নিসর্গের সঙ্গে মিলিয়ে দেখানো হয়েছে। আশা করি দর্শকদের ভালো লাগবে।’