শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৯:১২:০৫ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •

চুয়াডাঙ্গায় নকল শিশুখাদ্য বিক্রয়ের অপরাধে চার লাখ টাকা জরিমানা

চুয়াডাঙ্গায় নকল শিশুখাদ্য বিক্রয়ের অপরাধে চার লাখ টাকা জরিমানা

ঢাকা প্রেস,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:-
 

চুয়াডাঙ্গায় নকল শিশুখাদ্য বিক্রয়ের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ফেরিঘাট রোডে অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা করা হয়।
 

জেলা টাস্কফোর্স ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে মেসার্স জনি স্টোর নামক প্রতিষ্ঠানে অননুমোদিত ও নিম্নমানের নকল ভেজাল শিশুখাদ্য, মেয়াদোত্তীর্ণ ও মেয়াদ মূল্যবিহীন পণ্য এবং যৌন উত্তেজক ওষুধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক হামিদুর রহমান জনিকে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ছয়টি গোডাউন সিলগালা করা হয়।
 

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সজল আহমেদ জানান, হামিদুর রহমান জনি দীর্ঘদিন ধরে চুয়াডাঙ্গাসহ আশপাশের জেলাগুলোতে নকল শিশুখাদ্য বিক্রি করে আসছিলেন। এছাড়াও তিনি মেয়াদোত্তীর্ণ ও মূল্যবিহীন পণ্য এবং যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি করতেন।
 

উল্লেখ্য, এর আগেও হামিদুর রহমান জনিকে একই অপরাধে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সংশোধন না করে এই অবৈধ কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
 

অভিযানে সহযোগিতা করেন: জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা, ক্যাব প্রতিনিধি, ছাত্র প্রতিনিধি, নিরাপদ খাদ্য প্রতিনিধি এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ।
 

এই ঘটনা শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে।