শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৮:২৭:৫৭ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে গভীর সংকট

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে গভীর সংকট

ঢাকা প্রেস নিউজ


বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি ব্যাংক গুরুতর আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়েছে। এই ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংককে মোট ১৮,১৬৭ কোটি টাকার বেশি পরিমাণে ঋণী। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, সোশ্যাল ইসলামী, ন্যাশনাল, ইউনিয়ন, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কমার্স, পদ্মা এবং আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক এই সংকটের মুখোমুখি ব্যাংকগুলোর মধ্যে অন্যতম।

 

এই সংকটের মানে হল, এই ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব অর্থের চেয়ে বেশি খরচ করেছে। ফলে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ঋণী হয়ে পড়েছে। এই অবস্থা ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এবং এমনকি ব্যাংকটিকে বন্ধ হয়ে যেতে বাধ্য করতে পারে। আমানতকারীদের জন্য এর মানে হল, তাদের জমা করা টাকা তুলতে সমস্যা হতে পারে।

 

এই সংকটের পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। কিছু ব্যাংক ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ দিয়েছে যা আদায় করা যাচ্ছে না, আবার অন্যান্য ব্যাংক অর্থনৈতিক মন্দার কারণে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক কিছু ব্যাংককে জরুরি ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত এই সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

 

এই সংকটের ফলাফল ব্যাপক হতে পারে। আমানতকারীরা তাদের টাকার নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে এই ব্যাংকগুলো থেকে তাদের টাকা তুলে নিচ্ছেন। এর ফলে ব্যাংকগুলোর কাছে নগদ অর্থের অভাব দেখা দিচ্ছে এবং তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা আরও কঠিন হয়ে পড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংককে এই সংকট মোকাবেলায় জরুরি ঋণ দিতে হচ্ছে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংক এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে, তবে এতে সময় লাগবে। কিছু ব্যাংককে সুস্থ ব্যাংকের সাথে একীভূত করতে হতে পারে অথবা সরকারকে এই ব্যাংকগুলোর দায়িত্ব নিতে হতে পারে। এই সময়ে আমানতকারীদের উচিত সাবধানে ব্যাংক বেছে নেওয়া এবং শুধুমাত্র সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যাংকের সাথে লেনদেন করা।