সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:০৪:২৩ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

প্রীতম চক্রবর্তীর স্টুডিও থেকে ৪০ লাখ টাকা চুরি!

প্রীতম চক্রবর্তীর স্টুডিও থেকে ৪০ লাখ টাকা চুরি!

বিনোদন ডেস্ক:-
 

ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রীতম চক্রবর্তীর স্টুডিও থেকে ৪০ লাখ রুপি চুরি হয়েছে। তার স্টুডিওতে কর্মরত একজন অফিস সহায়ক টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রীতমের ম্যানেজার, মালাড থানায়। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত যুবকের নাম আশিস সায়াল।
 

পুলিশের তথ্যে জানা গেছে, ৪ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ওইদিন প্রযোজনা সংস্থা থেকে ৪০ লাখ রুপি অগ্রিম হিসেবে প্রীতমকে দেওয়া হয়। গোরেগাঁওয়ে প্রীতমের মিউজিক স্টুডিও 'ইউনিমিউজ রেকর্ডস প্রাইভেট লিমিটেড'-এ একজন কর্মচারী প্রীতমের ম্যানেজার বিনীত ছেদাকে একটি ব্যাগে করে নগদ ৪০ লাখ রুপি দেন। স্টুডিওতে তখন উপস্থিত ছিলেন আশিস সায়াল, আহমেদ খান এবং কমল দিশা।
 

বিনীত ছেদা টাকা গুনে তা একটি ট্রলি ব্যাগে রেখে প্রীতমের বাড়িতে যান কিছু কাগজপত্রে সই করানোর জন্য। রাত সাড়ে ১০টায় ফিরে এসে তিনি দেখেন ব্যাগটি নেই। ওই ব্যাগে ৫০০ টাকার ৮ হাজার নোট ছিল। যখন বিনীত ছেদা আহমেদ খানকে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি জানান, আশিস সায়াল ব্যাগটি নিয়ে গিয়েছিলেন এবং বলেছেন যে তা প্রীতমের বাড়িতে পৌঁছে দেবেন। কিন্তু এরপর থেকে আশিস প্রীতমের বাড়ি বা স্টুডিওতে ফিরে আসেননি, এমনকি তার ফোনও বন্ধ ছিল।
 

ঘটনার পর প্রীতম তার কর্মীদের কিছু সময় অপেক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছিলেন, কারণ আশিস ৭ বছর ধরে স্টুডিওতে কাজ করছিলেন। তবে কয়েকদিন পর তার কোন খোঁজ না পাওয়ায়, ম্যানেজার পুলিশে অভিযোগ করেন।
 

পুলিশ ইতিমধ্যেই আশিস সায়ালের আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং তার মোবাইল ফোনের রেকর্ডও খতিয়ে দেখছে। তদন্তকারীরা সন্দেহ করছেন যে আশিস সম্প্রতি কোথাও টাকা ধার করেছিলেন কিনা, যা এই চুরির পেছনের কারণ হতে পারে।
 

মালাড পুলিশ এই ঘটনায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৮১ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছে এবং স্টুডিওতে উপস্থিত অন্যান্য কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।