শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৭:২৯:৩৬ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •

নওগাঁয় বেড়েছে মুরগির দাম

নওগাঁয় বেড়েছে মুরগির দাম

ঢাকা প্রেস,নওগাঁ প্রতিনিধি:-

 

নওগাঁয় সরবরাহ কমের অজুহাতে সপ্তাহের ব্যবধানে সবধরণের মুরগির দাম কেজিতে ১৫-২০ টাকা বেড়েছে।


 

নওগাঁয় বেড়েছে মুরগির দাম

 

 ১ মাসে বেড়েছে কেজিতে প্রায় ৪০ টাকা পর্যন্ত এতে বেচাকেনা কমেছে। দাম বৃদ্ধির কারণে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

 

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার মনিটংরিং করে জরিমানা করা হলেও এর বাজারে সুফল মিলছে না।

 

নওগাঁ পৌর মুরগি বাজার সূত্রে জানা যায়, কেজিতে ১৫-২০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকা, বিবি৩- ২৪০ টাকা, প্যারিস ২৭০ টাকা, সোনালী ও লাল ২৮০ টাকা, দেশী ৪৫০টাকা এবং হাঁস ৪০০ টাকা কেজি।

 

ব্যবসায়িরা বলছেন- খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ায় খামারিরা উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। প্রায় ১ মাস থেকে বাজারে মুরগির সরবরাহ কমে আসায় দাম বেড়েছে। দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের বিক্রি কমেছে। এতে করে তাদের লাভও কমে এসেছে।

 

অপরদিকে, ডিমের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে যৌক্তিক দামে মিলছে না ডিম। প্রতি হালি ডিম খুরচাতে ৫৪ টাকা এবং পাইকারিতে ৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুরগি ও ডিমের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। বাজারে গিয়ে দাম শুনে হতভম্ব হয়ে পড়ছেন তারা। পরিমানেও কম কিনতে হচ্ছে তাদের।

 

মুরগি ব্যবসায়ি নাহিদ সুলতান বলেন- মুরগির দাম বেড়ে যাওয়ায় আমাদের বেচাকেনা কমে গেছে। আগে যেখানে দিনে ১০০-১৫০পিস মুরগি বিক্রি হতো সেখানে দিনে ৫০-৬০ পিস বিক্রি হচ্ছে। আগে বেশি বিক্রি হওয়ায় দিনে ৫০০-৬০০ টাকা লাভ থাকতো। এখন কম বিক্রি হওয়ায় লাভও কমে গেছে। যারা মুরগি পরিস্কার করে তাদের কাজ কমে যাওয়ায় আয়ও কমে গেছে। দাম বেড়ে যাওয়ায় আসলে কেউ ভাল নেই।

 

মুরগি ব্যবসায়ি আকাশ হোসেন বলেন- জেলায় মুরগির খামার খুবই কম। বগুড়া সহ আশপাশের জেলা থেকে পাইকাররা এখানে মুরগি নিয়ে আসে। তাদের কাছ থেকে মুরগি কিনে আমরা কিছুটা লাভে বিক্রি করি। ফিড এর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যবসায়িরা খামারে মুরগির উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। বাজারের সরবরাহ কমে আসায় দাম কিছুটা বেড়েছে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন- সবার পক্ষে গরু বা খাসির মাংস কিনে খাওয়া সম্ভব না। দাম কম থাকায় নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা মুরগির মাংসে আমিষের চাহিদা পুরণ করে। কয়েকদিন আগে বিবি৩- মুরগির দাম কিছুটা কম ছিল। এখন ২৪০ টাকা কেজি কিনতে হয়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় সবকিছুর বাজারই উর্ধ্বগতি। সবার জন্যই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।