মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:৪৯:২১ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

এই রমজানে জাফরান জিলাপি

এই রমজানে জাফরান জিলাপি

রমজান মাস খুব বেশি দূরে নেই। এই মাসকে কেন্দ্র করে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে জমে উঠে নানা ধরনের মুখরোচক ইফতারের আয়োজন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতিবছর খাজানা মিঠাই ও খাজানা রেস্টুরেন্ট আয়োজন করে থাকে তাদের ইফতার। অনেক ঢাকাবাসীর কাছে খাজানা মিঠাইয়ের জাফরান জিলাপি ছাড়া ইফতার আয়োজন যেন অসম্পূর্ণ। 

এক যুগের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে মিষ্টির বাজারে বিখ্যাত একিটি নাম খাজানা মিঠাই। বিশেষভাবে জিলাপি, মতিচুর লাড্ডু, মিহিদানা রাবড়ি, কাজু বরফি, গুলাব জামুন, গাজরের পায়েস, লাচ্ছা সেমাই, শন পাপড়ি ও রসমালাইয়ের জন্য খাজানা মিঠাই খুবই জনপ্রিয়। খাজানা মিঠাইয়ের বর্তমানে ঢাকায় ৫টি শোরুম রয়েছে গুলশান ১, গুলশান ২, বনানী ১১, উত্তরা এবং ধানমন্ডিতে।

সারা বছর প্রতি শুক্রবারে খাজানা মিঠাইয়ের সকল শোরুমে জিলাপ পাওয়া যায় তবে বিশেষ ইফতার আয়োজনে রমজান মাস জুড়ে প্রতিদিনই সকল শোরুমে পাওয়া যাবে খাজানা মিঠাইয়ের স্পেশাল জাফরান জিলাপি ও গাজরের পায়েস। চিকন জিলাপির প্যাঁচ, মচমচে ভাঁজা ও জাফরানের স্বাদ জিলাপিকে করে তুলে অতুলনীয়। খাজানা মিঠাই ছাড়াও গুলশানে আয়োজিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী খাজানা ইফতার বাজার যেখানে থাকবে খাজানার সকল জনপ্রিয় খাবারের সমাহার।

ক্রেতাসাধারণ কেজি ও নানা সাইজ অনুযায়ী ক্রয় করতে পারবেন পাশাপাশি যেকোন ছোট-বড় কর্পোরেট আয়োজনের জন্যও অর্ডার করতে পারবেন। পেমেন্ট করতে পারবেন ক্যাশ, কার্ড, মোবাইল পেমেন্ট যেকোনো মাধ্যমে। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন অনলাইন পার্টানরদের মাধ্যমে অনলাইনে খাবার অর্ডার করার সুব্যবস্থা। সহযোগী পার্টনার হিসেবে থাকবে উল্লেখযোগ্য কিছু ব্যাংক, মোবাইল পেমেন্ট পার্টনারস ও বিভিন্ন সনামধন্য প্রতিষ্ঠান। পুরো রমজান মাস জুড়ে চলবে এই ইফতার আয়োজন।