সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:০২:২৭ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

অভিনেতা-নাট্যকার আতাউর রহমান আর নেই

অভিনেতা-নাট্যকার আতাউর রহমান আর নেই

বাংলাদেশের নাট্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনে নেমে এলো গভীর শোক। স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য অভিনেতা, নাট্যকার ও মঞ্চনির্দেশক আতাউর রহমান আর নেই। রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দিনগত রাত ১২টার দিকে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

 

তার প্রয়াণে শুধু একজন শিল্পীর বিদায় নয়, বরং একটি সময়, একটি আন্দোলনেরও সমাপ্তি ঘটল, এমনটাই মনে করছেন নাট্যাঙ্গনের মানুষজন।

 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তার মরদেহ শহীদ মিনারে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। শেষ পর্যন্ত বনানী কবরস্থানে, প্রিয় মায়ের কবরের পাশেই তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করার সিদ্ধান্ত হয়। বাদ জোহর দাফনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।

 

এর আগে গত শুক্রবার বাসায় দুর্ঘটনাজনিতভাবে পড়ে গেলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। প্রথমে গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলেও আইসিইউ সুবিধা না থাকায় পরে ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

সেখানে একাধিকবার লাইফ সাপোর্টে নিতে হয় তাকে। সাময়িক উন্নতির পর আবারও অবস্থার অবনতি হলে রোববার পুনরায় লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়, শেষ পর্যন্ত হার মানে জীবনের সব লড়াই।

 

১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে জন্ম নেওয়া আতাউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী মঞ্চনাট্য আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। নাট্যজন, অভিনেতা, নির্দেশক ও লেখক, সব পরিচয়েই তিনি ছিলেন অনন্য। দেশের সংস্কৃতি ও নাট্যাঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেন একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক।

 

মঞ্চে, পর্দায় কিংবা লেখায়- যেখানেই ছিলেন, শিল্পের প্রতি তার নিষ্ঠা আর দায়বদ্ধতা তাকে করে তুলেছিল এক অনন্য উচ্চতার মানুষ। আজ তিনি নেই, কিন্তু তার সৃষ্টি, তার আদর্শ আর তার অবদান চিরকাল বেঁচে থাকবে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে।