সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৭:৩৭:৫৮ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

যাহের আলভী প্রকাশ্যে স্ত্রী ইকরার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা

যাহের আলভী প্রকাশ্যে স্ত্রী ইকরার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা

রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় ছোট পর্দার অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মারা যান। প্রথমে শোক প্রকাশ করলেও, পরবর্তীতে আলভী নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ত্রী ইকরার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন।
 

শুক্রবার রাতে দেওয়া ওই দীর্ঘ পোস্টে আলভী জানান, তিনি ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। তার দাবি অনুযায়ী, ২৫ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইকরা বাসায় বন্ধুদের নিয়ে পার্টি করেছিলেন এবং সেখানে মদ্যপানও হয়েছিল। ঘটনাপূর্বদিন তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইকরা তার সহকারীকে দিয়ে সিগারেট ও ঘুমের ওষুধ এনেছিলেন।
 

আলভী পোস্টে বলেন, “ঘটনার আগের রাতে যদি মদ্যপান বা মাদক সেবন হয়ে থাকে, তা পোস্টমর্টেম রিপোর্টে ধরা পড়া উচিত। রিপোর্টে কোনোভাবেই পরিবর্তন করা উচিত নয়।” তিনি এ বিষয়ে নজর রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
 

তিনি আরও জানিয়েছেন, বাসার ড্রইং-কাম-ডাইনিং এলাকায় থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার এক্সেস তার ছিল না এবং সেটি ইকরার ফোনের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল। বর্তমানে ইকরার ফোন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আলভী মনে করেন, ওই সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনার আগের কয়েক দিনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে। তাই তিনি সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের কাছে অনুরোধ করেছেন, তিন দিনের ফুটেজ যেন মুছে না যায়।
 

দাম্পত্যজীবন নিয়ে আলভী উল্লেখ করেন, ২০১০ সালে তারা পালিয়ে বিয়ে করেন। পরে একসময় ইকরাকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পরে ইকরা সেই সম্পর্ক থেকে ফিরে এসে আবার তার সঙ্গে সংসার শুরু করেন এবং আলভী তাকে ক্ষমা করে গ্রহণ করেন।
 

পোস্টে আলভী আরও দাবি করেছেন, বিভিন্ন মহলের চাপ, ইকরার পরিবারের প্রতিশোধপরায়ণতা এবং কর্মক্ষেত্রের কিছু মানুষের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে তিনি বিপদে পড়তে পারেন এবং অন্যায়ভাবে ফাঁসানো হতে পারে।
 

স্ত্রীর মৃত্যুর পর প্রথমে আবেগঘন বক্তব্য এবং কয়েক দিনের ব্যবধানে অভিযোগ তুলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, সংবেদনশীল ঘটনার পর প্রকাশ্যভাবে এমন অভিযোগ পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলতে পারে এবং প্রয়াত ব্যক্তির সম্মান নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।
 

ঘটনার সময় আলভী নেপালে শুটিংয়ে ছিলেন। তিনি নিজের ফেসবুকে লিখেছিলেন, “আজ দুপুরে মিরপুর ডিওএইচএসের বাসায় আমার স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছে। আমি বর্তমানে নেপালে শুটিং করছি। খবরটা শুনে আমি কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। আমাদের সন্তান ও আমার কথা না ভেবে সে কেন এভাবে চলে গেল, বুঝতে পারছি না।”