শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৯:১২:৫৭ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •

গৃহহীনদের ঘর বুঝে পাবার আগেই নদীগর্ভে বিলীন

গৃহহীনদের ঘর বুঝে পাবার আগেই নদীগর্ভে বিলীন

ঢাকা প্রেস
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-

 

 

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আবাসন প্রকল্পের ঘর ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে। এরইমধ্যে ব্রহ্মপুত্রের গর্ভে ৫টি ঘর ভেঙে গেছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, এখন পর্যন্ত আবাসন প্রকল্পটি হস্তান্তর করা হয়নি। তবে স্থানীয়ভাবে ৬০ থেকে ৭০টি পরিবার সেখানে বসবাস করছেন।

 

এদিকে ভাঙন হুমকিতে থাকায় অনেক দিন হতে স্থানীয় প্রশাসনকে অবগত করেও কোনো সুরাহা মেলেনি বলছেন জনপ্রতিনিধিরা। ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে উপজেলার অষ্টমীরচরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের খোদ্দবাশপাতার এলাকার ১০০ পরিবারের জন্য আবাসন প্রকল্প নির্মাণ করা হয়েছিল। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আবাসন প্রকল্পটি নির্মাণ করা হয়।

 

আবাসন প্রকল্পটি হস্তান্তর না হলেও বর্তমানে ৬০ থেকে ৭০ পরিবার রয়েছেন বলে জানা গেছে। ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন হুমকিতে আবাসনের এক দিকের একটি ব্যারাকের ৫টি কক্ষ ভেঙে গেছে নদীতে। ভাঙন রোধে ব্যবস্থা এখনই না নিলে পুরো আবাসনটি বিলীন হতে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে।

 

ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সেলিম রেজা জানান, গত রাতে দুটি রুম নদীতে ভেঙে গেছে। আমার উপস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মালামালগুলো সরিয়ে নিরাপদ স্থানে রেখেছি। বিষয়টি নিয়ে এর আগে ইউএনওসহ পিআইও স্যারের ওখানে লিখিতভাবে জানানো হয়েছিল।

 

অষ্টমীরচর ইউনিয়নের পরিষদ চেয়ারম্যানের ছেলে নজরুল ইসলাম জানান, আমরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। যে কোনো সময় আবাসনটি নদীতে ভেঙে যেতে পারে। আমি খোঁজ নিয়েছি আবাসনে ভাঙন শুরু হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত আবাসনের ঘরগুলো হস্তান্তর করা হয়নি। এমনিতে স্থানীয় ৬০-৭০ পরিবার সেখানে রয়েছে। এর আগে একটা কমিটি করে সুবিধাভোগীর তালিকা করা হয়েছিল কিন্তু অভ্যন্তরীণ ঝামেলার কারণে সেটা বাস্তবায়ন হয়নি।

 

চিলমারীর ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার নঈম উদ্দীন জানান, ইউপি সদস্যের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। সেখানের গুরুত্বপূর্ণ মালামাল সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে এবং সরিয়ে রেখেছে। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা হয়েছে। আপাতত তাদের জিও ব্যাগ বরাদ্দ নেই। তারপরেও কথা বলে রেখেছি যদি জিও ব্যাগ বরাদ্দ পাওয়া যায় ভাঙন রোধ করার জন্য। আমাদের দিক থেকে চেষ্টা করে যাচ্ছি।