সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৭:৩৭:১২ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

ভুল করলে ক্ষমা চাই, হাল ছাড়িনি—নারী দিবসে সুমীর খোলাচিঠি

ভুল করলে ক্ষমা চাই, হাল ছাড়িনি—নারী দিবসে সুমীর খোলাচিঠি

বিনোদন প্রতিবেদক


 

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে নিজের দীর্ঘ সংগ্রাম, সাফল্য ও জীবনের দর্শন নিয়ে আবেগঘন এক খোলাচিঠি প্রকাশ করেছেন সংগীতশিল্পী শারমীন সুলতানা সুমী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই পোস্টে ছোট শহর থেকে উঠে এসে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সংগীত ও সৃজনশীলতার জগতে নিজের পথচলার নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি।
 

পোস্টের শুরুতে নিজের পরিচয় তুলে ধরে সুমী জানান, তিনি খুলনার খালিশপুরের মেয়ে এবং ঝিনাইদহের শৈলকূপার প্রয়াত মকবুল হোসেন ও শেলী মকবুল–এর চতুর্থ কন্যা। প্রায় ২৪ বছর ধরে ব্যান্ডসংগীতের সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি প্রায় ১৯ বছর ধরে বিজ্ঞাপনশিল্পে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সৃজনশীল ও কৌশলগত কাজে কাজ করার অভিজ্ঞতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
 

নিজের পথচলার বর্ণনায় সুমী বলেন, ছোট শহর থেকে উঠে এসে থেমে না গিয়ে কাজ করে যাওয়াই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি জানান, এই দেশের ধুলোমাটির গল্পকে বড় করে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন এবং সেই যাত্রায় অনেক মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পেরেছেন বলে বিশ্বাস করেন। প্রতিকূলতার মধ্যেও ভালোবাসা, হাসি এবং মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন সব সময়।
 

পোস্টে নিজের ভুল স্বীকার করার বিষয়টিও অকপটে তুলে ধরেন সুমী। তিনি বলেন, ভুল করলে তিনি ক্ষমা চাইতে দ্বিধা করেননি এবং কাউকে কষ্ট দিলে ‘সরি’ বলতে দেরি করেননি। তবে এসবের মাঝেও মাথা উঁচু করে পথচলা কখনো থামাননি। নারী হিসেবে আলাদা পরিচয়ের চেয়ে মানুষ হিসেবে কাজ করে যাওয়াকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
 

সুমী আরও লিখেছেন, তিনি কখনো একা বড় হতে চাননি; বরং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়াতেই বিশ্বাস করেন। মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে পথ চলার চেষ্টা করেছেন সব সময়। তবে এই পথচলায় নানা অপবাদ ও অভিযোগও এসেছে, তবু তিনি হাল ছাড়েননি।
 

খোলাচিঠির শেষাংশে জীবন সম্পর্কে নিজের উপলব্ধির কথাও তুলে ধরেন এই শিল্পী। তাঁর মতে, জীবন খুব ছোট এবং পৃথিবীর পথ দ্রুত বদলে যাচ্ছে। তাই হতাশার মধ্যেও ভালো থাকার উপকরণ খুঁজে নিতে হবে। কনসার্ট, স্টুডিও কিংবা বিজ্ঞাপনচিত্রের চিত্রনাট্য—যেখানেই থাকুন না কেন, কাজের মধ্য দিয়েই নতুন অধ্যায় তৈরি করে যেতে চান তিনি।