সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:৫৭:১৭ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

সিভি আর রেজিউমির মধ্যে পার্থক্য জানেন কি ?

সিভি আর রেজিউমির মধ্যে পার্থক্য জানেন কি ?

সিভি ও রেজিউমির মধ্যে আরেকটি পার্থক্য হলো একটি  সিভি আপনার ব্যক্তিগত সারাংশ দেয় এবং রেজিউমি আপনার যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা প্রদর্শন করে।

একটি সিভি লিখতে অনেকটাই সময় নেয়, কারণ এটি আপনার ব্যক্তিগত এবং পেশাদার ইতিহাস, দক্ষতা, এবং অভিজ্ঞতা নিয়ে বিসৃত তথ্য অবশ্যই সংজ্ঞানে নিতে হয়।

এটি লিখতে সাধারনত একটি ভিত্তি অথবা ফরম্যাট অনুসরণ করা হতে পারে, তাতে আপনি আপনার তথ্য কেমনভাবে বিন্যাস করতে চান তা দেখাতে পারে। তাছাড়া, কিছু পয়েন্ট মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ:

১। প্রথম অংশ (প্রস্তাবনা): নাম, যোগাযোগের তথ্য, এবং আপনার ব্যক্তিগত পরিচয় প্রদান।

২। শিক্ষা: আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অধ্যয়নের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য।

৩। কর্মস্থল এবং অভিজ্ঞতা: আপনি কোথায় কাজ করেছেন, কোনও পূর্বসূত্র, এবং আপনার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তথ্য।

৪।কাজের দক্ষতা এবং উপাধি: আপনার দক্ষতা, কৌশল, এবং উপাধি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।

৫। ক্যারিয়ার লক্ষ্য: আপনি কোথায় যেতে চান এবং আপনার ক্যারিয়ারের লক্ষ্য কি।

সিভি লেখার সময়ে মনে রাখতে হয় যে, এটি একটি নম্বরের মোড়ক নয়, তবে আপনার ব্যক্তিগত এবং পেশাদার পরিচয়ের একটি পুর্নাংগ ছবি তৈরি করতে সাহায্য করতে হয়।

এবার আসুন নজর দেয়া যাক রেজিউমি লেখার নিয়মগুলি সম্পর্কেঃ

একটি রেজিউমি লেখার সময় মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যেন এটি সহজে পঠনীয় হয় এবং প্রতিস্থানে প্রস্তুত থাকে। এর মধ্যে থাকছে-

১। সংক্ষেপ: রেজিউমি সংক্ষেপে হতে হবে, সর্বপ্রথমে এটি পড়ার সময়ে পঠনকারী কর্তৃক যেনো দ্রুত বোঝা যায়।

২। ব্যক্তিগত তথ্য: আপনার নাম, যোগাযোগের ঠিকানা, এবং আপনার একটি সংক্ষেপক বৈষিষ্ট্য যোগ করতে হবে।

৩। উদ্দীপনা বা অবজেকটিভ: এটি আপনার চাকরির লক্ষ্য এবং আপনি কেমন ভাবে কোম্পানির জন্য যোগদান করতে আগ্রহী তা দেখাতে হয়।

৪। শিক্ষা: আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং প্রাপ্ত ডিগ্রী বা উপাধিসমূহ উল্লেখ করুন, যাতে সহজে বোঝা যায় ।

৫। কর্মস্থল এবং অভিজ্ঞতা : আপনি আগে কোথায় কোথা কাজ করেছেন এবং কি কি কাজ করেছেন তা এখানে বর্ণনা করুন, সাথে কোনও পূর্বসূত্র সহ।

৬। দক্ষত: আপনার দক্ষতা এবং কৌশল এখানে প্রদর্শন করুন, এটি আপনার উপাধির সাথে মিলিয়ে লিখা যেতে পারে।

৭। প্রকল্প এবং সাফল্য: কাজের কোনও প্রকল্প, বা আপনার সাথে যোগাযোগ করার সাফল্য যদি থাকে তা উল্লেখ করুন।

৮। পেশাদার সদস্যতা : আপনি যদি কোনও কাজের বা সংগঠনের পেশাদার সদস্য হন, তা এখানে উল্লেখ করতে পারেন।

৯। ভাষার দক্ষতা: আপনি কোন কোন ভাষা বলতে, পড়তে ও লিখতে পারেন তা লিখুন এবংীসব ভাষাতে আপনার দক্ষতা উল্লেখ করুন।

১০। রেফারেন্স: আপনার প্রোফেশনান বা পরিচিত ব্যক্তিদের মাঝে এক বা একাধিক কাউকে রেফারেন্স হিসেবে পরিচয় দিতে পারেন, তাদের অনুমতি কিংবা জ্ঞাতসারে। সাথে যোগাযোগের পূর্নাংগ তথ্য উল্লেখ করুন।

এই ধাপগুলি মনে রাখলে আপনাকে একটি আকর্ষণীয় এবং প্রভাবশালী রেজিউমি তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে।