শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৭:৪১:০৪ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •

রংপুরে নিজ বাসা থেকে আইনজীবীর মরদেহ উদ্ধার

রংপুরে নিজ বাসা থেকে আইনজীবীর মরদেহ উদ্ধার

ঢাকা প্রেস
বিশেষ প্রতিনিধি (রংপুর):-

 

 

রংপুর নগরীর মুলাটোল এলাকায় এক আইনজীবীর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়রা তীব্র শোকাহত হয়েছে। শুক্রবার রাতে তার নিজ বাসায় মোস্তাকিম ইসলাম (৩৭) নামে ওই আইনজীবীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

মোস্তাকিমের ছোট ভাই সোহান জানান, শুক্রবার রাতে তিনি তার বড় ভাইকে ভাত খাওয়ার জন্য ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে রুমের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে নিচে পড়ে থাকতে দেখেন। বিছানার ওপর সিলিং ফ্যানের সঙ্গে একটি ওড়না প্যাঁচানো ছিল। এ ঘটনা দেখে তিনি দ্রুত পুলিশকে খবর দেন।

মোস্তাকিমের স্ত্রী রিমু আক্তারের মামা রাশেদ খান ডালিম জানান, মোস্তাকিমের দুই তলা ভবনের নিচতলা ভাড়া দেওয়া ছিল। তারা দ্বিতীয় তলায় দুটি ইউনিটে বসবাস করতেন। রাত সাড়ে বারোটার দিকে তিনি বাড়িতে এসে দেখেন মোস্তাকিমের মরদেহ বিছানায় পড়ে রয়েছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আব্দুর রশীদ জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

মোস্তাকিম কে? নিহত মোস্তাকিম ইসলাম বদরগঞ্জ উপজেলার ট্যাক্সের হাট এলাকার খাদেমুল ইসলামের ছেলে। তিনি রংপুরে তার পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। তার স্ত্রী রিমু আক্তার চার দিন আগে বাবার বাড়িতে গিয়েছিলেন। দম্পতির কোনো সন্তান ছিল না।

বিছানায় ওড়না প্যাঁচানো এবং মৃত্যুর অবস্থা বিবেচনা করে অনেকেই এই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে মনে করছেন। তবে পুলিশ এখনো এই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে নিশ্চিত করেনি। তারা বিভিন্ন দিক থেকে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

মোস্তাকিমের আকস্মিক মৃত্যুতে স্থানীয়রা তীব্র শোকাহত। তারা জানান, মোস্তাকিম একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি ছিলেন। তার মৃত্যুর কারণ জানতে সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

এই ঘটনায় আরো বিস্তারিত তদন্তের প্রয়োজন। পুলিশকে বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে এবং মৃত্যুর সঠিক কারণ উদ্ঘাটন করতে হবে।