শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৯:১২:১১ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •

যশোরের রানী চানাচুর কোম্পানিতে কর্মচারী হত্যা: রহস্যময় ঘটনা

যশোরের রানী চানাচুর কোম্পানিতে কর্মচারী হত্যা: রহস্যময় ঘটনা

ঢাকা প্রেস
যশোর প্রতিনিধি:-


 

যশোরের বকচর এলাকায় অবস্থিত রানী চানাচুর কোম্পানিতে কর্মরত মিলন নামে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনাটি স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

 

গত সোমবার (১৪ অক্টোবর), কোম্পানির অন্যান্য কর্মচারীরা মিলনের সাড়া না পেয়ে তার ঘরে গিয়ে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় পান। পরবর্তীতে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে, তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, মিলনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।
 

নিহত মিলন মণিরামপুর উপজেলার ঝালঝাড়া খালকান্দা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি কোম্পানির গরুর খামারে চাকরি করতেন। তার স্ত্রী ও দুই ছেলে মণিরামপুরের বাড়িতে থাকতেন। মিলনের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডে মর্মাহত এবং বিচার চাইছে।

 

হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরানসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন। তবে এখনো এই হত্যাকাণ্ডের কারণ স্পষ্ট হয়ে ওঠেনি। পুলিশ বিভিন্ন দিক থেকে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

 

মিলনের সহকর্মী তরিকুল ইসলাম জানান, রাত ১১টা পর্যন্ত তিনি মিলনের সাথে ছিলেন। পরে মিলন কোম্পানিতে ফিরে যান। সকালে তিনি ঘরে গিয়ে মিলনকে মৃত অবস্থায় পান।

 

প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তা জানান, মিলন গত তিন বছর ধরে কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তিনি নিরীহ প্রকৃতির একজন মানুষ ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না।

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান জানান, মিলন হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে। তবে এখনই এই হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে কিছু নিশ্চিত করে বলা যাবে না। পুলিশ এই ঘটনার সত্যতা বের করার চেষ্টা করছে।