সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০১:৩২:৫৩ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

রাজনীতির মঞ্চে পদার্পণ করলেন মেসুত ওজিল, তুরস্কের ক্ষমতাসীন দলের সদস্য

রাজনীতির মঞ্চে পদার্পণ করলেন মেসুত ওজিল, তুরস্কের ক্ষমতাসীন দলের সদস্য

স্পোর্টস ডেস্ক:-

 

ফুটবল বিশ্বে জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার রাজনীতিতে সক্রিয় হলেন মেসুত ওজিল। তবে তার পদচারণা জন্মভূমি জার্মানিতে নয়, বরং তুরস্কের রাজনীতিতে। দেশটির ক্ষমতাসীন দল একেপির কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন তিনি।
 

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘ফ্রান্স-২৪’ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত এক কংগ্রেসে আনুষ্ঠানিকভাবে একেপিতে যোগ দেন ওজিল। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানের ঘনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত। ২০১৯ সালে সাবেক মিস তুরস্ক আমিন গুলসকে বিয়ে করার সময় তার ‘বেস্টম্যান’ ছিলেন এরদোগান।
 

২০১৪ বিশ্বকাপে জার্মানির শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও, ২০১৮ সালে জাতীয় দল থেকে অবসর নেন ওজিল। সে সময় তিনি জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে বর্ণবাদের অভিযোগ তোলেন, যা ছিল ব্যাপক বিতর্কিত। পরবর্তীতে তুরস্কে ফিরে কিছুদিন দেশটির ক্লাব ফুটবলে খেলার পর ২০২৩ সালে সবধরনের ফুটবল থেকে অবসর নেন।
 

২০০২ সাল থেকে তুরস্কে শাসন করা একেপির প্রধান এরদোগান নবমবারের মতো পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। ওজিলের দলের সদস্য হওয়া তুর্কি জনগণের কাছে কেমন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে, তা এখন দেখার বিষয়। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ওজিলের তুরস্কে জনপ্রিয়তা যথেষ্ট ভালো, যা একেপির জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।