শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:০৯:২৮ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •

শুকনো মৌসুমেও গঙ্গাধর নদীতে ভাঙন, দুই মাসে বিলীন ২০০ ভিটেবাড়ি

শুকনো মৌসুমেও গঙ্গাধর নদীতে ভাঙন, দুই মাসে বিলীন ২০০ ভিটেবাড়ি

ঢাকা প্রেস
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-

 

 

শুকনো মৌসুমেই গঙ্গাধর নদীর ভাঙনে দিশেহারা কুড়িগ্রামের সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন নারায়নপুরের মানুষ। গত দুই মাসে ঘর-বাড়ি হারিয়েছে অন্তত দুই শতাধিক পরিবার। এ অবস্থা চলতে থাকলেও কোনো প্রতিকার না পাওয়ার অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। এদিকে প্রকল্পের মাধ্যমে ভাঙনরোধের আশ্বাস পানি উন্নয়ন বোর্ডের।
 

শুকনো মৌসুমেও গঙ্গাধর নদীতে ভাঙন, দুই মাসে বিলীন ২০০ ভিটেবাড়ি



সরেজমিনে দেখা যায়, নদীতে তেমন পানি না থাকলেও ভেঙেই চলেছে পাড়। কোনো উপায় না থাকায় আগে ভাগেই ঘর-বাড়ি, গাছপালাসহ পাকা স্থাপনা সরিয়ে নিয়েছেন বাসিন্দারা। ভারত থেকে প্রবেশ করা গঙ্গাধর নদীর বামতীরে প্রায় আড়াই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চলছে ভাঙনের খেলা।
 

শুকনো মৌসুমেও গঙ্গাধর নদীতে ভাঙন, দুই মাসে বিলীন ২০০ ভিটেবাড়ি — ছবি ২

 

স্থানীয়রা জানান, ইতোমধ্যে প্রায় দুই শতাধিক ঘর-বাড়ি, ফসলী জমিসহ একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিলীন হয়েছে। হুমকিতে রয়েছে বালারহাট বাজারসহ তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অসংখ্য ঘর-বাড়ি। এ পরিস্থিতিতে সম্পদ রক্ষায় দ্রুত ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তাদের।

 

নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের বালারহাট এলাকার বাসিন্দা আমিরুল ইসলাম বলেন, একমাস আগে আমার বাড়ি ভেঙে অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছি। কিন্তু সেখানেও ভাঙনের কবলে পড়েছে। এখন কোথায় যাবো তার কোনো উপায় নেই।

 

প্রতি বছর এই নদীর ভাঙনে শত শত ঘর-বাড়ি বিলীন হলেও প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি সরকার। সংশ্লিষ্ট দফতরে একাধিকবার যোগাযোগ করেও মেলেনি কোনো সমাধান। তাই শুকনো মৌসুমেই ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেয়ার আকুতি তাদের।

 

একই এলাকার আরেক বাসিন্দা মনসুর আলী জানান, ভাঙনে বিলীন হওয়া প্রায় দুইশ পরিবার ওপারে চরে বসতি গড়েছে। বালারহাট বাজারটি একেবারে ভাঙনের মুখে পড়েছে। একটি প্রাইমারি স্কুল সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এই শুষ্ক মৌসুমে ব্যবস্থা না নিলে আগামী বর্ষা আসার আগেই আরও শত শত পরিবার ও তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিলীন হয়ে যাবে।

 

জেলার ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও দুধকুমারের ভাঙনরোধে স্থায়ী প্রকল্প চলমান থাকলেও গঙ্গাধরে কোনো প্রকল্প না থাকার কথা স্বীকার করে নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করার কথা জানান কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান।