সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:৪৪:০৯ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট না হলে ফ্যাসিবাদ পুনরায় মাথা চাড়া দিবে: মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম

জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট না হলে ফ্যাসিবাদ পুনরায় মাথা চাড়া দিবে: মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম

আবুল কালাম আজাদ ভূঁইয়া,কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ-


 

মুরাদনগরের বাখরাবাদ বাজারে গণসংযোগকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব ও কুমিল্লা-৩ আসনের হাতপাখা প্রার্থী মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট দেশের জনগণের অন্যতম দাবী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তিনি বলেন, একই দিনে গণভোট ও জাতীয় ভোট করানো কোনো অর্থ বহন করে না; এটি দেওয়া না দেওয়ার সমান। সচেতন মহল মনে করছে, যদি জুলাই সনদের স্বীকৃতি আগে না দেওয়া হয়, তাহলে ভোট ও গণঅভ্যুত্থান দুটোরই কোনো মূল্য থাকবে না। গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই দিনে আয়োজন করলে, গণভোটের গুরুত্ব হারিয়ে যায়।
 

শুক্রবার মুরাদনগরের বাখরাবাদ বাজারে এ সংক্রান্ত বক্তব্য দেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের মুরাদনগর উপজেলা সভাপতি মাস্টার মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম, জয়েন্ট সেক্রেটারি শেখ মোঃ সাইফুল ইসলাম, যুবনেতা ফখরুল ইসলাম মারজান, ছাত্রনেতা মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ উল্লাহ ও মোহাম্মদ বাবুল।
 

মাওলানা কাইয়ূম ধারাবাহিকভাবে হাতপাখার পক্ষে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি জনগণের আন্তরিক সাড়া ও ভালোবাসায় উদ্বুদ্ধ হয়েছেন। তিনি মনে করান, জনগণ চাইলে ইসলামী ও দেশপ্রেমিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হলে ইসলামের বিজয় সম্ভব।
 

ভোটাররা জানিয়েছেন, তারা এবার ইসলামের পক্ষে ভোট দেবেন। তাদের বক্তব্য, “৫৪ বছরে বিভিন্ন দল ও ব্যক্তির শাসন দেখেছি। এবার আমরা ইসলামী শাসন দেখতে চাই। মানুষ চায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত সমাজ। অভিভাবকরা চান তাদের সন্তান মাদকমুক্ত পরিবেশে বড় হোক। এজন্য ইসলামী শাসনের বিকল্প নেই।”