সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:৫৬:১৯ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

সাধারণ জ্বর না ডেঙ্গু ?

সাধারণ জ্বর না ডেঙ্গু ?

ডেঙ্গু এবং সাধারণ জ্বরের মধ্যে লক্ষণগুলো অনেকটা একই রকম হওয়ায় অনেক সময় সঠিকভাবে বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য আছে যা লক্ষ্য করে আপনি বুঝতে পারবেন কোনটি ডেঙ্গু এবং কোনটি সাধারণ জ্বর।
 

সাধারণ জ্বর

১. বর্ষাকালে ঠান্ডা লেগে যে জ্বর হয় তাতে চোখ জ্বালা করে। হাতে পায়ে হালকা ব্যথা হয়।
২. বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষাকালে যে জ্বর হয় তা কিন্তু অন্তত এক থেকে দু’দিন থাকে।
৩. মাথা হালকা ভার ভার লাগতে পারে। বেশিরভাগই ঘুমালে অনেকটা কমে যায়।

 


ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ

১. ডেঙ্গু জ্বর হলে হাত, পায়ের তীব্র যন্ত্রণা অনুভব হবে। সেইসঙ্গে সারা গায়ে ফুসকুড়ি হবে।
২. অনেক সময় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে অনেকেরই শরীরে কোনও রকম উপসর্গ থাকে না। শুধুই তাদের শরীর দুর্বল হতে থাকে।
৩. ডেঙ্গুর জ্বর হলে পেটে তীব্র ব্যথা হয়, বমি লাগে, নাক দিয়ে অনেকের রক্ত পড়ে। এমনকি মল দিয়ে রক্ত আসে।
৪. বমি করলে তাতেও রক্ত আসে। খুব ক্লান্ত লাগে নিজেকে। উঠে দাঁড়ানো যায় না। প্রচণ্ড মাথা ঘোরে।
৫. ডেঙ্গু হলে সময় প্রচণ্ড মাথাব্যথা হয়, চোখের চারপাশে, পেশিতে, জয়েন্টে ব্যথা হয়, পেট ব্যথা হয়।
৬. প্রেসার কমে যেতে থাকে। সারা গায়ে ফুসকুড়ি হয়।
৭. রোগীর প্লাটিলেট হু হু করে কমতে থাকে। অনেক সময় প্লাটিলেট রেট কমে গেলে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে।

 

 প্লাটিলেটের মাত্রা কেমন হওয়া উচিত?

বিশেষজ্ঞদের মতে একজন সাধারণ মানুষের শরীরে প্লাটিলেটের মাত্রা প্রতি মাইক্রোলিটারে ১.৫ লাখ থেকে ৪.৫০ লাখ পর্যন্ত থাকে। ডেঙ্গুর কিছু ক্ষেত্রে এই মাত্রা কমতে থাকে। যদি এটি ১ লাখের কম হয় তবে এটি কম প্লাটিলেট গণনা হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে এতে আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। প্লাটিলেটের মাত্রা ৫০ হাজারের কম হলে পরিস্থিতি বিপজ্জনক হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে রোগীকে প্লাটিলেট দিতে হবে।