১৯৭৫ সালের পর কোনো নির্বাচন নিরপেক্ষ হয়নি : মোকাব্বির খান
প্রকাশ:
১৯৭৫ সালের পর বৈধ-অবৈধ কোনো সরকারের আমলে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি বলে দাবি করেছেন গণফোরামের সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান। তিনি বলেছেন, কখনো সংবিধান কাটছাঁট, কখনো হ্যাঁ-না ভোট, কখনো ব্যালট বাক্স চুরি, কখনো এক কোটি ৩০ লাখ ভুয়া ভোটার, কখনো আগের রাতে ভোট চুরি ইত্যাদি-ইত্যাদি। এই অপবাদ থেকে বাদ পড়েননি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাও।
আজ রবিবার জাতীয় সংসদের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ১৪৭ বিধিতে উত্থাপন করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা আলোচনায় অংশ নেন। এ উপলক্ষে গত শুক্রবার জাতীয় সংসদে স্মারক বক্তব্য দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং সাধারণ প্রস্তাব উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আলোচনায় অংশ নিয়ে মোকাব্বির খান বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণা ছিল ১৯৭০ সালের নির্বাচন। তখন পশ্চিম পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে ছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৮৮টিতে জয় পেয়েছিল আওয়ামী লীগ। ওই নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। ১৯৭৩ সালের নির্বাচন নিয়েও কেউ প্রশ্ন তোলেনি। কিন্তু এর পর থেকে সব নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
দুর্নীতি ও অর্থপাচারের সমালোচনা করে মোকাব্বির খান বলেন, এখনো জাতীয় সংসদে দুর্নীতিবাজ, অর্থপাচারকারী ও লুটেরাদের জন্য ইনডেমনিটি আইন পাস হয়। এটা সবার জন্য লজ্জার ব্যাপার। কিছু বিষয়কে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা উচিত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, সংসদ, সংবিধান, জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংবিধান- এগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুললে চরম বেঈমানি হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।