রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬ এ ০১:৪৯:১০ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির •       • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •

কুড়িগ্রামে বস্তা পদ্ধতিতে সবজি চাষে বাড়ছে আগ্রহ

কুড়িগ্রামে বস্তা পদ্ধতিতে সবজি চাষে বাড়ছে আগ্রহ

ঢাকা প্রেস
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-

 

 

কুড়িগ্রামে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে মাচার মধ্যে বস্তা পদ্ধতিতে সবজি চাষ। এই পদ্ধতিতে বিভিন্ন ধরণের শাকসবজি চাষের পাশাপাশি লাভজনক আদা চাষ করে সাফল্য পাওয়ায় খুশি বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ। সরকারি ও বেসরকারিভাবে প্রযুক্তিগত ও কারিগরি সহযোগিতা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ পাওয়ায় গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে পরছে এই পদ্ধতি।
 

কুড়িগ্রামে বস্তা পদ্ধতিতে সবজি চাষে বাড়ছে আগ্রহ

 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের তথ্য মতে, চলতি বছর ৪ হাজার ২০৫ হেক্টর জমিতে শাকসবজি, ৭২৫ হেক্টর জমিতে মরিচ এবং ৫৭০ হেক্টর জমিতে আদা চাষ করা হয়। জুলাই মাসে প্রবল বন্যায় ৭৩৭ হেক্টর শাকসবজি, ৩৭ হেক্টর মরিচ ও ১১ হেক্টর জমির আদা বিনষ্ট হয়ে যায়। এরকম পরিস্থিতিতে বিকল্প পদ্ধতি অনুসরণ করে শাকসবজি চাষে কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ বৃদ্ধি পচ্ছে।

 

জানা গেছে, বন্যাপ্রবণ কুড়িগ্রাম জেলায় ১৬টি নদ-নদীর মধ্যে রয়েছে প্রায় সাড়ে ৪শতাধিক চর ও দ্বীপচর। প্রতিবছর বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে এসব এলাকার শাকসবজি বিনষ্ট হয়ে যায়। ফলে এসময়ে চরাঞ্চলে সবজি ও পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেয়। উচ্চমূল্যেও পাওয়া যায় না সবজি। এসব দিক বিবেচনা করে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চরগুলোতে পাইলটিংভাবে মাচায় বস্তা পদ্ধতিতে সবজিচাষ শুরু করেছেন। এই চাষ পদ্ধতিতে যাতে কোনরকম সমস্যা সৃষ্টি না হয়। এজন্য অনেকে অফিসে এই পদ্ধতি অনুসরণ করছেন। তেমনিভাবে কুড়িগ্রাম শহরে বেসরকারি সংস্থা আরডিআরএস বাংলাদেশ ট্রান্সবাউন্ডারী প্রকল্পের মাধ্যমে নিজেদের অফিস চত্বরে প্রদর্শনী প্লট হিসেবে ২শতাধিক বস্তায় আদা ও বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষ করে সফলতা পেয়েছেন।

 

এই প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার শাহজাহান মিয়া জানান, এই সফলতা প্রয়োগ করা হচ্ছে বিভিন্ন চরে। চরাঞ্চলের প্রতিটি পরিবার ১০ থেকে ১৫টি বস্তায় এসব পদ্ধতি ব্যবহার করছেন। এতে খরচ হচ্ছে মাত্র ১হাজার টাকা। সবজি খাওয়ার পর প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকার আদা বিক্রি করতে পারছেন। অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে বস্তা সড়িয়ে ঘরের ভিতর নিরাপদে রাখতে পারছেন।

 

কুড়িগ্রাম আরডিআরএস’র ট্রান্স বাউন্ডারী প্রজেক্টের ইমারজেন্সি এন্ড হিউমেন্টেরিয়ান রেসপন্স কো-অর্ডিনেটর তপন কুমার সাহা জানান, বন্যার সময় খাবার ও সবজির সংকট কমাতে চর এলাকায় সবজি চাষে কৃষকদের আগ্রহী করে তোলা হচ্ছে। প্রদর্শনীমূলকভাবে মাচায় আদাচাষের পাশাপাশি বেগুন, মরিচ, বরবটি, পূঁইশাক, কুমড়াসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করা হচ্ছে। যাতে এই শিখন চরে কাজে লাগানো যায়।