সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:৪৮:৪২ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •       • নরসিংদীতে বাসার গ্রিল কেটে ৫০ লাখ টাকা ও ৮ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি •       • কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি টুটুল গ্রেপ্তার •       • মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন ঘটনা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার: ধর্মমন্ত্রী •       • বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর অনশন •       • মাদারগঞ্জে গাছে মরিচ আসতেই অজানা মড়ক: লোকসানের মুখে কৃষকরা, দেখা মেলেনি কৃষি কর্মকর্তার •       • মুরাদনগরে সাবেক মেম্বারের বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি •       • রাজধানীতে বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৩৪, মামলা ৩৭ •       • মুরাদনগরে ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি হোসেন গ্রেফতার •

সাবেক এমপি ছানোয়ারসহ তিনজনের রিমান্ড মঞ্জুর

সাবেক এমপি ছানোয়ারসহ তিনজনের রিমান্ড মঞ্জুর

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ভাটারা থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় টাঙ্গাইল-৫ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেনসহ তিনজনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
 

আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিএম ফারহান ইশতিয়াক শুনানি শেষে এ রিমান্ড আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া অন্য দুই আসামি হলেন—আওয়ামী লীগ নেতা সাদেক ঢালী ওরফে সালাউদ্দিন সাদেক ঢালী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. আবু মুসা আনসারী।
 

এর আগে, শনিবার রাতে ভাটারা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন, রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. ফরহাদ কালাম সুজন আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়ে আজকের দিন রিমান্ড শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন।
 

শুনানির দিন আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে, তাদের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। অপরদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
 

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ৫ আগস্ট রাজধানীর ভাটারা থানাধীন বারিধারা এলাকায় ছাত্র জনতার সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেন মিঠুন ফকির। আন্দোলনের সময় আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে আহত হয়ে কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি এবং ১১ আগস্ট বাসায় ফেরেন। এরপর, ১৯ ডিসেম্বর মিঠুন ফকির ৮৮ জনকে নাম উল্লেখ করে এবং ৩০০ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে ভাটারা থানায় মামলা দায়ের করেন।