বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১২:৩৬:৪৪ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

আনোয়ারায় গরম পানিতে দগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু, নিরাপত্তা সচেতনতায় প্রশ্ন

আনোয়ারায় গরম পানিতে দগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু, নিরাপত্তা সচেতনতায় প্রশ্ন

আহমদ রেজা, বিশেষ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম:

 

 

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় গরম পানিতে দগ্ধ হয়ে হামিম বিন হোসেন (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দগ্ধ হওয়ার ছয় দিন পর শনিবার (২ মে) ভোররাত ৩টার দিকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 

নিহত হামিম আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মালিপাড়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী মোহাম্মদ হোসেনের একমাত্র ছেলে। সম্প্রতি পরিবারটি বারশত ইউনিয়নের কবিরের দোকান এলাকায় বসবাস করছিল। তিন সন্তানের মধ্যে হামিম ছিল সবার ছোট।

 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় রান্নাঘরে অসাবধানতাবশত চুলায় বসানো গরম পানি শিশুটির শরীরে পড়ে যায়। এতে সে গুরুতর দগ্ধ হয়। প্রথমে তাকে আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।

 

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয় দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত হার মানে হামিম। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তার বাবা মোহাম্মদ হোসেন পরদিনই সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে আসেন। নিহতের মরদেহ ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে বলে পরিবার জানিয়েছে।

 

এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘরের ভেতর শিশু নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি নতুন করে সামনে এনেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রান্নাঘরে খোলা আগুন, গরম পানি বা ফুটন্ত তরল শিশুদের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করে। সামান্য অসাবধানতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

 

স্থানীয়দের মতে, গ্রামাঞ্চলে রান্নাঘরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনো যথেষ্ট উন্নত নয়। শিশুদের নাগালের মধ্যে গরম পানি বা চুলা থাকা এমন দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়া, রান্নার সময় শিশুদের দূরে রাখা এবং নিরাপদ রান্নাঘর পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

 

এদিকে, একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছে পরিবারটি। এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়রা ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন।আনোয়ারায় গরম পানিতে দগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু, নিরাপত্তা সচেতনতায় প্রশ্ন i